× Banner
সর্বশেষ
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৫০% কমানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, ১৭ জেলার নদীবন্দরে সতর্কতা আজ ৪ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ জুলাই মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিমার্জনের উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে এনজিওদের এগিয়ে আসার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১% রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে – প্রধানমন্ত্রী

নির্যাতিত অম্বিকা সাধু ও তার পরিবার

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০১৬

লক্ষণ চন্দ্র বর্মণ, রংপুরঃ  রংপুর মিঠাপুকুর উপজেলার ১৫নং বড়হযরতপুর  ইউনিয়নের হাসনের পাড়া পল্লী গ্রামের শ্রী অম্বিকা চন্দ্র বর্মন সাধু (৭৩) তার নিজস্ব প্রায় ১০০ শতক  জমিতে নিয়মিত মাছ চাষ পরিবার পরিজন নিয়ে সাধু ভাবনা চিন্তার মাঝে থেকে সংসার নির্বাহ করে।

প্রতিবেশী নানকর রসুলপুর গ্রামের নুর আমিন এর পুকুর এক সঙ্গে হওয়ায় নুর আমিন ও তার পরিবার প্রায় সময় কৌশলে পুকুর পাড়ের বানা কিংবা জাল সরাইয়া দেয় এবং সাধুর পুকুরের সব মাছ হাতিয়ে নেয়।

এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানা যায় যে, বিষয়টি প্রায় সময় ঘটে থাকে কিন্তু সাধু লজ্জ্বায় কাউকে বলেন না। পূর্বের ন্যায় এবারেও ২৭ নভেম্বর রাত্রী অনুমান ১.৩০মিঃ নুর আমিন তার দলবল সহ কৌশলে বানা/জাল সরিয়ে সাধুর পুকুরের মাছ তার পুকুরে নিয়ে যায় ।

এ ঘটনার জের ধরে সাধুর ছেলে প্রদীপ বিচার চাইতে গেলে ও প্রতিবাদ করতে চাইলে নুর আমির ও তার দলবল প্রদীপকে মারপিট ও শ্বাসরোধ করে আহত করে। আহত প্রদীপ মিঠাপুকুর সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন (চিকিৎসাপত্র নং-৩৮৩৩/০৩)।

এ বিষয়ে মিঠাপুকুর থানায়  ৮ ডিসেম্বর ২০১৫ ইং তারিখ অম্বিকা সাধু লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা জনাব রিপন কুমার  জানান যে, প্রাথমিক অবস্থায় বাদী/বিবাদীগণকে নোটিশ করা হয় কিন্তু অভিযোগকারীগণ উপস্থিত হলেও অভিযুক্তরা থানায় উপস্থিত হয়নি।

এদিকে অম্বিকা সাধু ও তার পরিবার জানান যে, তার পুকুরে প্রায় ১,২০,০০০/- (এক লক্ষ বিশ হাজার) টাকার মাছ ছিলো। এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানা যায় যে, অম্বিকা সাধু ও তার পরিবার এখন ভয়ে বাজার করতে পারছেন না।

অত্র এলাকার হিন্দু নেতৃবৃন্দ বলেন যে, উল্লেখিত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে উপর্যুক্ত মামলাসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন না করা হলে পরবর্তী কর্মসূচী ঘোষনা করা হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..