দ্রোণাচার্য সম্মানে ভূষিত কোচের পুরস্কার গ্রহণের আগের দিনই মৃত্যু

দ্রোণাচার্য সম্মানে ভূষিত কোচের পুরস্কার গ্রহণের আগের দিনই মৃত্যু

শনিবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে জাতীয় ক্রীড়া সম্মান গ্রহণ করার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু অনুষ্ঠানের ঠিক আগেরদিনই পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন বর্ষীয়ান অ্যাথলেটিক্স কোচ পুরুষোত্তম রাই। শুক্রবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল ২০২০ দ্রোণাচার্য সম্মানে ভূষিত কোচের। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।

শুক্রবার ২৮ আগস্ট হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আগে ভার্চুয়াল মাধ্যমে জাতীয় ক্রীড়া সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানের মহড়াতেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। তারপরেই সব শেষ। অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে পুরুষোত্তম রাই’য়ের মহড়ায় অংশগ্রহণ করার খবর জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, আজ ২৯ আগস্ট শনিবার জাতীয় ক্রীড়া দিবসে ভার্চুয়াল মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের থেকে দ্রোণাচার্য সম্মান গ্রহণ করার কথা ছিল রাই’য়ের। কিন্তু অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে বর্ষীয়ান কোচের এমন ট্র্যাজিক মৃত্যুসংবাদে স্বাভাবিকভাবেই শোকের ছায়া অ্যাথলেটিক্স মহলে।

১৯৭৪ নেতাজি ইনস্টিটিউট অফ স্পোর্টস থেকে ডিপ্লোমা পাস করে বেরনোর পর প্রশিক্ষণের জগতে পা রেখেছিলেন পুরুষোত্তম রাই। দেশের প্রথম সারির নামজাদা বহু অ্যাথলিট সদ্য প্রয়াত কোচের প্রশিক্ষণে পাদপ্রদীপের আলোয় এসেছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম অলিম্পিয়ান কোয়ার্টার-মাইলার বন্দনা রাও, হেপ্ট্যাথলিট প্রমীলা আইয়াপ্পা, অশ্বিনী নাচাপ্পা, মুরলি কুত্তান, এম কে আশা, জিজি প্রমীলা প্রমুখ। ‘এটা খুবই বেদনার যে পুরস্কার গ্রহণের ঠিক আগেরদিন উনি চলে গেলেন।’ বর্ষীয়ান কোচের মৃত্যু সংবাদে এভাবেই শোকপ্রকাশ করেছেন প্রাক্তন অলিম্পিয়ান (লং জাম্পার) অঞ্জু ববি জর্জ।

অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার সভাপতি আদিল সুমারিওয়ালা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘এমন ট্র্যাজিক একটা ঘটনায় এএফআই ভীষণভাবে শোকাহত। সারাটা জীবন উনি অ্যাথলিটদের কথা ভেবে এসেছিলেন। ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সে তাঁর অপরিসীম অবদান কখনোই ভোলার নয়। তাঁর মৃত্যুসংবাদ ভীষণই হৃদয়বিদারক। উনার পরিবারের প্রতি আমাদের সমবেদনা রইল।’

১৯৮৭ বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ, ১৯৮৮ এশিয়ান ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ এবং ১৯৯৯ সাফ গেমসে অংশগ্রহণকারী দেশের অ্যাথলিটদের প্রশিক্ষণের দায়িত্ব ছিল অভিজ্ঞ এই কোচের হাতেই। এছাড়াও সার্ভিসেস, স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার কোচের পদেও বহাল ছিলেন পুরুষোত্তম রাই।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।