× Banner
সর্বশেষ
শিশুর মতোই গাছের চারার পরিচর্যা করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী সব ধর্মের প্রতি সহনশীলতা বজায় রেখে নিজ ধর্ম চর্চার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর মানবপাচার প্রতিরোধ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে আইওএমের সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর খোলা আকাশের নিচে তাবু টানিয়ে পাঠদান প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সরকারি পরিসেবার আওতায় আনতে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করার দাবি  বেনাপোল সিমান্ত থেকে ৫৩ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার  জনগণের আস্থা ছাড়া রাজনীতি টেকসই নয়: তথ্যমন্ত্রী শিক্ষকের শ্লীলতাহানির অভিযোগের পর ‘থলের বিড়াল’ বের হতে শুরু ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে জনসেবার মানোন্নয়ন ও স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণে গুরুত্ব কালীগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্টিত

পিঁ আই ডি

দেশের এক ইঞ্চি জায়গাও ইন্টারনেট সংযুক্তির আওতার বাইরে থাকবে না -টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৩
ইন্টারনেট সংযুক্তি

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য দেশের প্রতিটি মানুষকে ইন্টারনেট সংযুক্তির আওতায় আনতে হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায়  উন্নত বিশ্বের সমান্তরালে আমরা চতুর্থ বা পঞ্চম শিল্প বিপ্লবে অংশগ্রহণের সক্ষমতা অর্জন করেছি। স্মার্ট বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্মার্ট সংযুক্তি অপরিহার্য। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দেশের এক ইঞ্চি জায়গাও উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযুক্তির আওতার বাইরে থাকবে না।

মন্ত্রী আজ ঢাকায় বিটিআরসি মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স ফোরাম আয়োজিত বাংলাদেশের সকল মানুষকে ক্ষমতায়িত করতে ইন্টারনেটের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ক অধিবেশনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য টেলিযোগাযোগ প্রযু্ক্তি খাতে উদ্ভাবন ও গবেষণার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, আমাদের বড় সমস্যার নাম ডিজিটাল দক্ষতাসম্পন্ন মানব সম্পদ। টেলিযোগাযোগ খাতে আরএন্ডডিতে যথাযথ বিনিয়োগ করতে পারলে স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত হবে।

২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ফাইভ-জি যুগে প্রবেশ করেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ১৯৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টু-জি মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু করেন। তার হাত ধরেই ২০১৩ সালে থ্রি-জি, ২০১৮ সালে ফোর-জি এবং ২০২১ সালে ফাইভ-জি যুগে প্রবেশ করে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, এদেশের মানুষ সহজেই প্রযুক্তি আয়ত্তে আনতে সক্ষম। এ প্রসংগে তিনি সীসার হরফের পরিবর্তে ডিজিটাল যন্ত্রে বাংলা প্রবর্তনের পর  দৈনিক পত্রিকাসহ প্রকাশনা শিল্পে কর্মরত সীসার হরফে কম্পোজিটের কাজে কর্মরতদের চাকরি হারানোর আশংকা সৃষ্টি হলে তিনি কম্পোজিটরদের তোপের মুখে পড়েন এবং তার বিরুদ্ধে স্লোগান- আন্দোলন শুরু হয়  উল্লেখ করে তার অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করেন। পরবর্তীতে তাদের প্রশিক্ষণের দায়িত্ব নিয়ে তাদের ডিজিটাল প্রকাশনার কারিগর হিসেবে তৈরি করার পর তাদের প্রিয়ভাজনে পরিণত হন এবং তাদের হাতেই ডিজিটাল যন্ত্রে বাংলা প্রকাশনা জগতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের যাত্রা শুরু হয়  বলে জানান ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বাংলাভাষার এই উদ্ভাবক।

অনুষ্ঠানে বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার, বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আবদুস সালাম, এমটব এর জেনারেল সেক্রেটারি লে. কর্নেল (অব.)  মোহাম্মদ জুলফিকার, সাংবাদিক রাশেদ মেহেদী এবং বিআইজিএফ সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মাদ আব্দুল হক অনু বক্তৃতা করেন।

ডিজিটাল যুগের উপযোগী মানব সম্পদ তৈরির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে অনুষ্ঠানে বক্তারা ইন্টারনেট বিকাশে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও ইন্টারনেট গতি বৃদ্ধি এবং সহজলভ্য করার বিষয়ে করণীয় বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..