দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচির মাধ্যমে ‘মুজিব বর্ষ’ পালন করা হবে -সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

ঢাকা, ২ জ্যৈষ্ঠ (১৬ মে) :  সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমনের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন বাঙালির জন্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। ২০২০ সাল ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হবে।

আজ সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২০ সাল মুজিব বর্ষ হিসেবে যথাযথ মর্যাদায় উদ্যাপনের লক্ষ্যে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্বকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, সিনিয়র সচিব জুয়েনা আজিজসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও অধীনস্থ দপ্তর-সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু সারা জীবন অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য কাজ করে গেছেন। মুজিব বর্ষ পালন উপলক্ষে কর্মসূচি বাস্তবায়নে আমাদের এই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিধি দেশব্যাপী বিস্তৃত। এ মন্ত্রণালয় দেশের দুঃস্থ ও অসহায় জনগোষ্ঠীর কল্যাণে সরাসরি কাজ করে। মুজিব বর্ষ পালন উপলক্ষে অসচ্ছল ও অসহায় মানুষের কল্যাণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

সভায় জানানো হয়, মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্রেইল পদ্ধতিতে প্রকাশ করা হবে। সারা দেশে অধীনস্থ সকল প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন করা হবে। দেশব্যাপী সামাজিক নিরাপত্তা মেলা ও সমাজসেবা সপ্তাহ আয়োজন করা হবে।

পল্লী অঞ্চলের অসহায় মহিলাদের কল্যাণে ‘বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা পল্লী নারী ও অসহায় মহিলা কল্যাণ প্রকল্প’ গ্রহণ করা হবে। প্রতিবন্ধী সহায়ক উপকরণ বিতরণ ও থেরাপি ভ্যানের মাধ্যমে সেবা প্রদান করা হবে। শিশু পরিবার থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেয়েদের সেলাই মেশিন ও কম্পিউটার বিতরণ করা হবে। অটিজম চিহ্নিতকরণে মোবাইল অ্যাপস তৈরি করা হবে এবং সহায়ক ডিভাইস বিতরণ করা হবে। এছাড়া, দেশের চারটি বিভাগের চার উপজেলায় বয়স্কভাতা ভোগীদের বয়স্কভাতার পাশাপাশি চিকিৎসা সহায়তা দেয়া হবে। প্রতিবন্ধী শ্রমিকদের জন্য মুজিব বর্ষ প্রণোদনা, ৬৪ জেলায় মুজিব বর্ষ মেধা বৃত্তি প্রদান ও মৈত্রী অ্যাপস চালু করা হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।