ঢাকার কুখ্যাত শীর্ষ সন্ত্রাসী বিপ্লব এখন রাজাপুরের মাদক সম্রাট

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : – ঝালকাঠীর রাজাপুরের নারকেলবাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুল বারেক হাওলাদারের সেজ ছেলে বিপ্লব হাওলাদার(৩৯)১৯৯৬সালে কাউখালী থানার রঘুনাথপুরের আরেক কালোবাজারী নারী পাচারকারী দেলোয়ার হোসেন দুলালের হাত ধরে নিজ গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে পারি জমায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী এবং জড়িয়ে পড়েন নানা অপরাধমূলক কর্মকারের সাথে এবং গড়ে তুলেন অপরাধের অঙ্গরাজ্য ও স্বনামে বনে যায় শীর্ষ সন্ত্রাসী। আর সেই সময় হতে টানা দশবছর ঢাকার বিভিন্ন স্থানে চুরি ডাকাতি ছিনতাই খুন ধর্ষণ অস্ত্র ও মাদক ব্যাবসা সেবনসহ নানা অপরাধের কারণে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ১২টির অধিক মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। এবং আরও অপরাধ অজানার কারণে ধামাচাপাই রয়ে যায়।

বিপ্লবের অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেশির ভাগ যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর, ডেমরা, মাতুয়াইল, ধোলাইপাড়, জুরাইন, কমলাপুর বস্তি, মতিঝিল, লালবাগ, মোঃ পুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় ছিল তার বিস্তীর্ণ নেটওয়াক এবং সর্বশেষ ২০০৬সালের প্রথম দিকে চিটাগাং রোডে রাতে বাসে ডাকাতিকালে তাড়া খেয়ে পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে কিছুদিন গোপনে চিকিৎসা নিয়ে সে বছরের মার্চের শেষের দিকে তার নিজ জেলা ঝালকাঠির রাজাপুর ফিরে আসেন।আর বর্তমানে বিপ্লবের নিজ.গ্রাম রাজাপুরের নারকেলবাড়িয়ার কয়েকজন মুরব্বী এবং নামপ্রকাশে অন-ইচ্ছুক বিপ্লবের এলাকার বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষেরা এগুলো বলেনঃ তারা আরো বলেন, বিপ্লবের কুকর্মের কথা বলে শেষ করা যাবেনা।

বিপ্লব ২০০৬ সালে ঢাকা থেকে পালিয়ে এসে এপর্যন্ত আর ঢাকায় ফেরেনি। আর তখন হতে এলাকায় নতুন করে ঘাঁটি বেঁধে দাঁড়ি টুপি পড়ে মুসুল্লি সেঁজে ভাল মানুষের লেবাস ধরে ইয়াবা গাঁজা ফেন্সিডিল নিজে সেবন করছে ও গোপন নেটওয়াকের্র মাধ্যমে রমরমা মাদকের ব্যবসাও চালিয়ে যাচ্ছে। আর এই ব্যবসার সাথে জড়িত আছে একই এলাকার বিপ্লবের বিস্বসÍ কয়েকজন যুবক। এবং তার নিজ বসত বাড়িতেই রাতভর চলে মাদক কেনাবেচার ও সেবনের আড্ডা। আর পুরো মাদকের রমরমা ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ করেন বিপ্লবের স্ত্রী শেফালী বেগম। আর বিপ্লবের এসব অপকর্মে অতিস্ঠ হয়ে ভাইবোন ও আত্বীয়-স্বজন কেউই পরিচয়.দেননা ও বাড়িও আসেন না।

এলাকায় ঘুরে জানা যায় পরিচয় গোপন রাখার শর্তে অধিকাংশরাই বলেন বর্তমানে বিপ্লবের শেল্টার ও মদদকারী আমাদের নারকেলবাড়িয়ার ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার কুদ্দুস হাওলাদার। এবং বিগত ইউপি নির্বাচনে কুদ্দুস মেম্বারের ক্যাডার হিসেবে কাজ করেছেন। আর এজন্যই বিপ্লবকে টাকার জোগানসহ সকলপ্রকার সহযোগিতা করে আসছে কুদ্দুস মেম্বার। আর এজন্যই বিপ্লব এত অপকর্মের হোতা হয়েও রয়েগেছে ধরাছোঁয়ার বাহিরে। তাই অত্র এলাকাবাসীর দাবি এলাকায় মাদকমুক্ত করে যুব সমাজকে রক্ষা করার জন্য প্রশাসনের সু- দৃষ্টি কামনা করছেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।