ডিম-মাংসের উৎপাদন বাড়িয়ে মূল্য যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ডিম-মাংসের উৎপাদন বাড়িয়ে মূল্য যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
ডিম-মাংসের উৎপাদন বাড়িয়ে মূল্য যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে হবে - মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

কৃষির সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশের পোল্ট্রি খাতকে আরো এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য  প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। একইসাথে প্রান্তিক খামারিদের মুরগি ও ডিমের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করাউৎপাদন বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ডিম ও মুরগির মাংসের মূল্য রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

আজ মৎস্য  প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (BPICC)-এর উদ্যোগে আয়োজিত  মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন,পোল্ট্রি খাতে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি মান নিশ্চিত করতে হবে। খামারিরা যেন তাদের পাদিত ডিম  মুরগির ন্যায্যমূল্য পানআবার সাধারণ মানুষও যেন সাশ্রয়ী মূল্যে ভালো মানের ডিম ও মাংস কিনতে পারেনসে বিষয়টি সমন্বয় করে এগোতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিম ও মুরগির মাংসের উৎপাদন বাড়ানো গেলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে ফলে দামও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা সম্ভব হবে। তাই পাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনাকে আরো কার্যকর করতে হবে। একইসাথে পোল্ট্রি খাতে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে এবং িমমাংস ও পোল্ট্রি ফিডের মান নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেনকৃষির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পোল্ট্রি খাতের পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়ন করতে হবে। এ খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে সরকার সহযোগিতা করবে। বিশেষ করে প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদন ধরে রাখতে ঋণসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেনপোল্ট্রি খাতের প্রকৃত সমস্যা ও সম্ভাবনা জানতে মাঠপর্যায়ের খামারিদের সাথে  সরাসরি মতবিনিময় করা প্রয়োজন। তাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে গাজীপুরধামরাইমানিকগঞ্জ ও টাঙ্গাইলের প্রান্তিক খামারিদের সাথে পর্যায়ক্রমে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেনপোল্ট্রি শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাখামারি ও ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে কাজ করলে এ খাত আরো শক্তিশালী হবে। দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ এবং নিরাপদ ও মানসম্মত আমিষের জোগান নিশ্চিত করতে পোল্ট্রি খাতের উন্নয়নে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রশাসনিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (FIAB) ও বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (BPICC)-এর সভাপতি মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য  প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ দেলোয়ার হোসেনসহ পোল্ট্রি খাতের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
ACP
লেখক / প্রতিবেদক

ACP

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।