“জাতির জনক সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের জন্য যে কাজগুলো শুরু করেছিলেন সরকারি শিশু হাসপাতাল তার মধ্যে অন্যতম। আজ জাতির পিতার প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালে তাঁরই জন্মশতবার্ষিকী পালনকালে আমরা শিশুদের জন্য একটি ডায়াবেটিক সেবা কর্ণার উদ্ধোধন করতে পারলাম। এর থেকে আনন্দের কিছু হয় না। বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি।
আজ সকালে মুজিব বর্ষের প্রথম দিনে রাজধানীর শিশু হাসপাতালে বছরব্যাপী মুজিব বর্ষ পালন উপলক্ষে শিশুদের জন্য টাইপ-১ ডায়াবেটিক সেবা কর্ণার উদ্ধোধন করে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম,অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমান,শিশু হাসপাতালের পরিচালক সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন।
দেশের বিভিন্ন জায়গায় অন্যান্য ডায়াবেটিক সেবা কর্ণার স্থাপন প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন,”শিশুদের ডায়াবেটিক সেবা কার্যক্রমের আওতায় দেশের ৮ বিভাগে ৮ টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা শিশু হাসপাতাল, শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, গাজীপুর ও ঝিনাইদহ ১০০ শয্যাবিশিষ্ট ও মানিকগঞ্জে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালসহ মোট ১২ টি হাসপাতালে আজ থেকে ডায়াবেটিক সেবা কর্ণার কাজ শুরু করে দিয়েছে। এছাড়াও দেশের ৩৮ টি জেলাতেও এই সেবা কার্যক্রম সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জেলার সিভিল সার্জনদের এ ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আশা করছি মুজিব বর্ষ শুরুর এই মহান দিন থেকেই দেশের কোমলমতি শিশুরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেয়া এই কর্ণারগুলি থেকে নিয়মিত সেবা লাভ করে উপকৃত হবে।”
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডায়াবেটিক সেবা কর্ণার উদ্ধোধনের আগে বেলুন উড়িয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মুজিব বর্ষের কার্যক্রম শুরু করেন। এর আগে মন্ত্রী রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় শিশুদের আরেকটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন। সেবা কর্ণার উদ্ধোধন শেষে বিকেলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহাখালীস্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নব গঠিত করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ কক্ষ পরিদর্শন করেন।



