বিশেষ প্রতিবেদকঃ রাজধানী এবং অনেক জেলা শহরে প্রাকৃতিক গ্যাস সংযোগ থাকলেও, উপজেলা পর্যায়ের অধিকাংশ গ্রামেই এই সুবিধা নেই। ফলে বাধ্য হয়েই এসব অঞ্চলের বাসিন্দাদের রান্নার কাজে ব্যবহার করতে হয় হাতে তৈরি মাটির চুলা, যা কিনা পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতায়, ইনফ্রাসট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড – ইডকল, বিশাল এই জনগোষ্ঠীর জ্বালানি ব্যয় সাশ্রয় এবং স্বাস্থ্য রক্ষায়, তাদের হাতে পৌঁছে দিচ্ছে আধুনিক চুলা।
বংশী এবং তুরাগ নদী বেষ্টিত, দ্বীপের মত একটি গ্রাম সাভারের কাউন্দিয়ার মাঝিরদিয়া। রাজধানীর অদূরে হলেও এখানে নেই প্রাকৃতিক গ্যাস সংযোগ। খাবার তৈরিতে রান্নার একমাত্র অবলম্বন চুলা। এখানকার বাসিন্দাদের মতে, হাতে তৈরি চুলার তুলনায় অধিক জ্বালানী সাশ্রয়ী এবং বেশি কার্যকর সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইডকলের চুলা।
বর্তমানে ১শ’ ৮৯টি উপজেলায় এই কার্যক্রম চালু থাকলেও, ভবিষ্যতে তা সারা দেশে পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানান, ইডকল নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রধান কর্মকর্তা মো. এনামুল করিম পাভেল।
ঢাকার বেশ কয়েকটি উপজেলায় এসব চুলা তৈরি, সরবরাহ এবং ব্যবহারকারীদের প্রশিক্ষণের কাজটি করে থাকে ভার্ক। বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ জ্বালানি বিশেষজ্ঞ জুবায়ের কে এম সাদেক জানান, প্রকল্পের সফলতা যাচাই করে, এর মানোন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন তারা।
শুধু বিজ্ঞান সম্মত আধুনিক চুলা নয়, পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি তৈরি এবং তা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর হাতে পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান ইডকল এবং বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তারা।





