জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে হবে -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে হবে -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা নেতৃত্ব দিয়েছে, অংশগ্রহণ করেছে, তাদেরকে আইনি সুরক্ষা দিতে হবে। সাংবিধানিক সুরক্ষা দিতে হবে৷ এসব অঙ্গীকারে আমরা সই করছি। তার আলোকেই আমরা যা কিছু সিদ্ধান্ত নেয়ার নেবো বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ ০১ মার্চ ২০২৬, রবিবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা আর কতদিন মাঠে থাকবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী কতদিন মাঠে থাকবে উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেনাবাহিনী নিজেরাও মাঠে থাকতে চায় না। কারণ তাদের প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য কর্মকাণ্ডে সমস্যা হচ্ছে।
তিনি বলেন, সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর আইনশৃঙ্খলার কতটা উন্নতি হয়েছে তা দেখতে হবে। তবে এই মুহূর্তে বলতে পারছি না মাঠ থেকে সেনাবাহিনী কবে প্রত্যাহার হবে। তবে অবশ্যই একসময় তোলা প্রয়োজন।
মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের গোলাগুলির ঘটনায় সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করা গেছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে।  চট্টগ্রামে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ দুই মাস আগে একজন বড় ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা চেয়েছে। এরপর চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার ওই ব্যবসায়ীর নিরাপত্তা এবং বাসায় পুলিশ পাহারা দিয়েছে। সে সন্ত্রাসী গ্রুপ হয়তো সুবিধা পায়নি সেজন্য দু’মাস পরে আবার একই রকমের কর্মকাণ্ড করেছে। এ সময় তারা ভারি অস্ত্র দিয়ে গোলাগুলি করেছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারি হয়েছিল। তাঁর ভিত্তি ছিল, জুলাই জাতীয় সনদের অঙ্গীকারনামায় একটি দফা। সে দফায় সব রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদে যারা সই করেছে তারা সবাই অঙ্গীকারনামার বিষয়ে একমত হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে র্যাবের নাম ও পোশাক বদলানোর বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, র্যাবের বিষয়ে একটা জনচাহিদা রয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদেও সুপারিশ করা হয়েছে যে র্যাবের বিষয়ে কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
তিনি বলেন, আমাদের বাস্তবতার নিরিখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এটি একটি বিশেষায়িত বাহিনী। প্রশ্ন হলো এ বাহিনী চাই কি না। উত্তর হলো চাই। তাহলে সেটা কি আদলে হবে, তাদের জুরিসডিকশন কি হবে, তাদের জবাবদিহি কি হবে, তাদের কীভাবে স্বচ্ছ রাখা যায়, তাদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সেবা পেতে পারি এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।