খাদ্য মজুতের সক্ষমতা ২২ লাখ থেকে ৩০ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করতে চায় সরকার -খাদ্য উপদেষ্টা

খাদ্য মজুতের সক্ষমতা ২২ লাখ থেকে ৩০ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করতে চায় সরকার -খাদ্য উপদেষ্টা

খাদ্য নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত নিশ্চিত করতে হবে।  ৩২০ কোটি টাকায় নির্মিত  ৪৮ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন অত্যাধুনিক নারায়ণগঞ্জের সাইলো গুদামের নির্মাণকাজ শেষের পথে। দেশে আরো কিছু সাইলো গুদামের নির্মাণকাজ শেষের পথে। সরকার দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য খাদ্য মজুতের সক্ষমতা ৩০ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করতে চায়। বর্তমানে খাদ্য মজুতের সক্ষমতা ২২ লাখ মেট্রিক টন। বলেছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।

আজ নারায়ণগঞ্জ বন্দরে নির্মাণাধীন সাইলো ও নতুন খাদ্য গুদাম নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, আমরা যদি মজুত বাড়াতে পারি, তাহলে চালের দাম যেমন কমবে তেমনি গমের দামও কমবে। বর্তমানে চালের দাম কমে গেছে। তবে চালের দাম একবারে কমে গেলে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সেটাও বিবেচনায় রাখতে হবে। কারণ, কৃষকরা ন্যায্য দাম পেলে তারা শস্য উৎপাদনে আরো উৎসাহী হবেন। দেশে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে এবং কৃষক কোনো সমস্যা ছাড়াই উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতে পারছেন। হাওর অঞ্চলের ধান কয়েকদিনের মধ্যে কাটা শেষ হবে। দেশে বোরো ভালোভাবে মজুত করতে পারলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ওএমএস, টিসিবির পরিমাণ আরো বাড়ানো যাবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, দেশে বর্তমানে গমের চাহিদা ৭০ লাখ টন। দেশে উৎপাদন হয় মাত্র ১০ লাখ টন। বাকি ৬০ লাখ টনের বেশিরভাগ আমদানি হয় বেসরকারিভাবে। এছাড়া মিলগুলোতে মোটা চাল কেটে চিকন করার বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

পরে খাদ্য উপদেষ্টা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বোরো ধান চাল সংগ্রহ করার জন্য  নির্দেশনা দেন। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ডিসি ফুড, আরসি ফুডসহ জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।