× Banner
সর্বশেষ
সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’ বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রকল্পে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে – আফরোজা নতুন কুঁড়ি ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন সিলেট-রংপুর নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে – মহিলা পরিষদ কালীগঞ্জের পত্রিকা বিতরণকারী জাহাঙ্গীরের মৃত্যু

কৃষিবিদ দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ আগামীকাল ‘কৃষিবিদ দিবস ২০২১’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

“কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ কর্তৃক ‘কৃষিবিদ দিবস ২০২১’ উদ্‌যাপনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ উপলক্ষ্যে আমি দেশের সকল কৃষিবিদকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি সরকারি চাকুরিতে কৃষিবিদদের প্রথমশ্রেণির পদমর্যাদায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন। এ প্রেক্ষাপটে ১৩ ফেব্রুয়ারি ‘কৃষিবিদ দিবস’ উদ্‌যাপন বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

কৃষিই বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতির প্রাণ। অনাদিকাল থেকে এদেশের মানুষ খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানসহ মৌলিক চাহিদাপূরণের জন্য কৃষির ওপর নির্ভর করে আসছে। দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে স্বাধীনতাত্তোরকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষিশিক্ষা, গবেষণা, সম্প্রসারণ ও কৃষির উপকরণ বিতরণকার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ-পুনর্গঠনে কৃষিখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। জাতির পিতার প্রদর্শিত পথেই বর্তমান সরকার কৃষির সার্বিক উন্নয়নে নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ফলশ্রুতিতে আমরা এখন দানাদার খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। পাশাপাশি শাকসবজি ও দেশীয় ফলমূলের ব্যাপক উৎপাদন জাতীয়পর্যায়ে দৈনন্দিন পুষ্টিচাহিদা-পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

জনসংখ্যাবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশে মাথাপিছু জমির পরিমাণ ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। দেশের ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদাপূরণে কৃষিবিজ্ঞানীদের নতুন নতুন প্রযুক্তি এবং অধিক উৎপাদনশীল জাতের বীজ উদ্ভাবন, উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ মাছ, মাংস, ডিম, দুধ-উৎপাদনে নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন ও বিপণনের ক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কীটনাশক-ব্যবহারে সচেতন হওয়া আবশ্যক। আমি আশা করি, কৃষিবিদগণ তাদের জ্ঞান, মেধা ও শ্রম দিয়ে রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে অবদান রাখবেন।

আমি ‘কৃষিবিদ দিবস-২০২১’ উপলক্ষ্যে গৃহীত অনুষ্ঠানমালার সার্বিক সাফল্য কামনা করি।

জয় বাংলা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..