কুলভূষণ মামলায় স্বস্তি ভারতের। এখনও ফাঁসি দেওয়া যাবে না ভারতের প্রাক্তন নৌসেনা অফিসারকে। পুরো রায়টাই গিয়েছে পাকিস্তানের বিপক্ষে এবং ভারতের পক্ষে। কী আছে সেই রায়ে?
সম্পূর্ণ রায় জানুন পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে:
১. কুলভূষণ যাদবের মামলায় ভারতের আর্জির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে আন্তর্জাতিক আদালত। পাকিস্তানের সেনা আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশে স্থগিতাদেশ জারি থাকল।
২. ভিয়েনা কনভেনশনের ৩৬ নম্বর আর্টিকলের প্রথম প্যারাগ্রাফ অনুসারে কুলভূষণ যাদবকে কুনস্যুলার অ্যাকসেস দেওয়া হয়নি। এর জেরে কুলভূষণকে তাঁর অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। আর এইভাবে পাকিস্তান ভিয়েনা কনভেশন লঙ্ঘন করেছে।
৩. কুলভূষণের সঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিকদের দেখা করতে না দিয়ে ও তাঁর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যবস্থা করার সুযোগ না দিয়ে পাকিস্তানকে ভারতকে বঞ্চিত করেছে।
৪. দেরি না করে পাকিস্তানকে অবিলম্বে কুলভূষণ যাদবের অধিকার সম্পকে তাঁকে অবগত করতে হবে। ভিয়েনা কনভেনশনের ৩৬ নম্বর আর্টিকল অনুযায়ী, ভারতকে কনস্যুলার অ্যাকসেস দিতে হবে।
৫. কুলভূষণ যাদবকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ড খতিয়ে দেখতে হবে পাকিস্তানকে। ওই রায় পুনর্বিবেচনা করতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৭-র এপ্রিলে পাক সামরিক আদালত ৪৭ বছরের কুলভূষণকে ফাঁসির সাজা দেয়। পাকিস্তানের দাবি, ইরান থেকে বালুচিস্তানে ঢুকে পড়েছিলেন কুলভূষণ। তাঁকে ভারতের গুপ্তচর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। গুপ্তচরদের কনস্যুলার অ্যাকসেস দেওয়া উচিৎ নয় বলে বারবার দাবি করে ভারত।
২০১৭-র ডিসেম্বরেই কুলভূষণের সঙ্গে দেখা করতে পাকিস্তানে যায় কুলভূষণের স্ত্রী ও মা। সেখানে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়। স্ত্রী’র জুতো খুলে ফরেনসিক টেস্টে পাঠানো হয়। আর পাকিস্তানের এই ব্যবহারে যে নিম্নরুচির পরিচয় দিয়েছে তার তীব্র নিন্দা জানায় ভারত।
চরবৃত্তির অভিযোগের জেরে কুলভূষণের তথাকথিত স্বীকারোক্তির ভিডিও আন্তর্জাতি আদালতে পেশ করা হয়। কিন্তু প্রতিটি আবেদনই খারিজ করে বেঞ্চ৷





