× Banner
সর্বশেষ
গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নেপালে সামাজিক সম্প্রীতি ও ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: কাঠমান্ডুর রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস: গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস : সরকারি ছুটি, দেশজুড়ে শ্রদ্ধা, স্মরণ ও নানা কর্মসূচি আজ বুধবার (৫ আগস্ট) আপনার রাশিফলে কী রয়েছে আজ ৫ আগস্ট বুধবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে শ্যামনগরে জনসম্মুখে পোড়ানো হল জব্দকৃত চায়না দুয়ারি জাল তনু হত্যা মামলায় জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান আইসিসিআর স্কলারশিপ দুই দেশের জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়বে – ভারতীয় হাইকমিশনার

মহামারী করোনায় দেশে ৭০ ভাগ মানুষের আয় বন্ধ, দ্বিগুণ হচ্ছে দারিদ্রের হার

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: রবিবার, ৩ মে, ২০২০
করোনায় দারিদ্র্যের হার

মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে প্রায় স্থবির পুরো বিশ্বের অর্থনীতি। করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে বিশ্ব দারিদ্র্য দমনে যে অগ্রগতি হয়েছে তা আবারো পূর্বের অবস্থানে ফিরে যাওয়ার আশংকা রয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। খবর- ভয়েজ অব আমেরিকা

বিশ্ব ব্যাংক আরো বলেছে, মহামারীর কারণে সারা বিশ্বে কয়েক লক্ষ মানুষ চাকরি হারিয়েছে, এর ফলে বৈশ্বিক দারিদ্র্যের হার ১৯৮৮ পর প্রথমবারের মতো বৃদ্ধি পাবে।

সানেম জানিয়েছে, বাংলাদেশে এক মাসের লকডাউনে আরও তিন কোটি ৬০ লাখ মানুষ পাওয়া যাবে, যারা সরকারি হিসাবে দরিদ্র নয়; কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে ‘অসহায়’ জনগোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত। যে কোনো বিপর্যয়ে এ ‘অসহায়’ জনগোষ্ঠীর একটি বিশাল অংশের আয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে দরিদ্র হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি থাকে।

নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ সংকটের মুখোমুখি। বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনা পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে চাপ পড়বে অর্থনীতিতে। এ অবস্থায় সরকারের নেয়া উদ্যোগে সুশাসন নিশ্চিত না হলে ঝুঁকিতে পড়বে করোনা পরবর্তী অর্থনীতি। দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা এখন প্রায় ৪ কোটি।

সম্প্রতি এক গবেষণা প্রতিবেদনে পিপিআরসি ও বিআইজিডি জানায়, করোনা মহামারীতে দিন আনে দিন খায় এমন প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের আয় বন্ধ হয়েছে। পরিবারের ব্যয়ভার বহনে হিমশিম খেতে হচ্ছে মধ্যবিত্তকেও।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, গেল এক দশকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশ এগিয়েছে দেশ। তবে, বেড়েছে আয় বৈষম্য, গড়ে ওঠেনি উপযুক্ত মানবসম্পদ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ। তাই করোনার ধাক্কায় কিছুটা বেসামাল হতে পারে অর্থনীতি।

সানেম নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান বলেন, ২০১৯ সালে যেখানে সরকারি হিসেবে দারিদ্র্যের হার ছিল ২০.৫ ভাগ, এই মুহূর্তে দারিদ্র্যের হার বেড়ে প্রায় ৪১ ভাগ হবে।অর্থনীতিবিদ নাজনীন আহমেদ বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষার সুযোগ দেয়া, ট্রেনিং দেয়া এই বিষয়গুলো যদি করা হয় তাহলে সুযোগের সুব্যবহার করা যাবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ অবস্থায় সরকারের নেয়া বিশেষ উদ্যোগগুলোতে সুশাসন নিশ্চিত করতে পারলে, অনেকটাই সহজ হবে করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..