মেহের আমজাদ, মেহেরপুরঃ গাংনী বাজারের হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী সারাফত ইসলাম মেহেরপুরে এসেছিলেন স্পিরিটের লাইসেন্স নবায়ন করতে। সাইন বোর্ড দেখে সে প্রবেশ করেন শহরের বোসপাড়ায় অবস্থিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসে। সেখানে প্রবেশ করেই দেখলেন লুঙ্গি পরা এক ভদ্রলোক চেয়ারে বসে আছেন। তিনি বুঝতেই পারছেন না এটি বাড়ি না অফিস। সন্দেহ হওয়ায় বাইরে বের হয়ে এসে আবারও সাইন বোর্ডটি দেখে নেন।
গোলকধাঁধাঁর মধ্য দিয়ে তিনি আবারও প্রবেশ করলেন ঐ কক্ষে। তাকে জিজ্ঞাসা করতেই তিনি পরিচয় দেন তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অফিসের সিপাহি জি.এম শহিদুল ইসলাম। লুঙ্গি পরার কারণ জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এ সময় অশালিন ব্যবহার করেন তিনি। পরে তিনি বলেন, একটি জরুরি অপারেশনে যাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু গাড়িতে জায়গা না হওয়ায় তিনি লুঙ্গি পরা অবস্থায় অফিসে রয়ে গেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, এ অফিসের লোকজন অফিসটিকে নিজের ঘর মনে করে ইচ্ছামত পোশাক পরে অফিস করে থাকেন। যাতে করে বোঝাই যায়না কে কর্মকর্তা আর কে কর্মচারী।
মেহেরপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের পরিদর্শক আসলাম আলী মন্ডল জানান, সে গোসল করার জন্য বের হওয়ার সময় একজন লোক আসে লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য তখন সে লুঙ্গি পরা অবস্থায় তার কাজ করছিলেন। অফিসের সময় লুঙ্গি পরে অফিস করার কোন বিধান নেয়। কোন কর্মকর্তা যদি কাজটি করে থাকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।