× Banner
সর্বশেষ
বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আসাদুজ্জামান আসাদ প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে যোগদানের আমন্ত্রণ পর্যালোচনা করছে সরকার – পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুন্দরবনের বাঘ ও আবাসস্থল রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর – পরিবেশমন্ত্রী দেওয়ানি মামলার জট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার – আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভুবন ভোলানো হাসিতে মন জয় করা তাহসিনের সাক্ষাৎ ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি শ্রমিকদের আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পের টাকা জনগণের, এক টাকার অপচয়ও সহ্য করা হবে না: তথ্যমন্ত্রী হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগানো দালাল চক্র ও সিজার বাণিজ্য স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়া সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: মীর শাহে আলম

ডেস্ক

ইতিহাসে এই প্রথম ডাক ও টেলিযোগাযোগ শতভাগ এডিপি বাস্তবায়ন

Dutta
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০২৪
শতভাগ এডিপি বাস্তবায়ন

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের প্রায় শতভাগ সম্পন্ন করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ। এই বিভাগের ইতিহাসে প্রায় শতভাগ এডিপি বাস্তবায়নের এমন হার এবারই প্রথম। ১২ জুন পর্যন্ত ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার শতকরা ৯৭.১৫ শতাংশ। ৩০ জুন পর্যন্ত এ হার ৯৯.৯৮ শতাংশ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সততা, দক্ষতা এবং জবাবদিহিতা অপরিহার্য বলে জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বুধবার (১২ জুন) রাতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে স্মার্ট প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত এডিপি বাস্তবায়ন অগ্রগতি সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

এ সময় বলা হয়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ডাক অধিদফতর, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল), টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, টেলিযোগাযোগ অধিদফতর, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেডসহ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের আওতাধীন দফতর ও সংস্থাগুলোর ১২টি প্রকল্পের প্রায় শতভাগ বাস্তবায়নের ফলে এ সফলতা অর্জিত হয়।

সভায় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন প্রকল্প নেয়ার ক্ষেত্রে জনগণের প্রয়োজনীয়তা, প্রকল্পের রিটার্ন কী হবে এবং যথার্থতা কী — এ তিনটি বিষয় কঠোরভাবে মেনে চলতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে সততা, দক্ষতা এবং জবাবদিহিতা অপরিহার্য।

এর আগে, তিনি গত জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত এডিপি বৈঠকে চলতি অর্থবছরে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের এডিপি বাস্তবায়ন হার শতভাগ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ নির্দেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়নে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

পলক বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের আর্কিটেক্ট সজীব ওয়াজেদ জয়ের মেধাবী ও সাহসী পরিকল্পনা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ও প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের অভিযাত্রা আমরা শুরু করেছি। ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশের ৪টি মূল স্তম্ভ বা পিলার এরই মধ্যে সজীব ওয়াজেদ জয় তুলে ধরেছেন। এগুলো হচ্ছে স্মার্ট নাগরিক তৈরি করা, স্মার্ট অর্থনীতি, স্মার্ট সরকার এবং স্মার্ট সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

চারটি পিলার শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে আগামী ৫ বছরে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় কী করবে, তিনটি ধাপে ভবিষ্যতে সে পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তিনটি খাতকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দিচ্ছি। সেগুলো হচ্ছে আমাদের রফতানি আয় বৃদ্ধি করা, বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।’

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বিটিআরসি, ডাক অধিদফতর, বিটিসিএল, টেলিযোগাযোগ অধিদফতর, সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড এবং টেলিটকসহ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন সংস্থাগুলোর প্রধান এবং বিভিন্ন প্রকল্পের পিডিরা (প্রকল্প পরিচালক)।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..