× Banner
সর্বশেষ
FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট-পেজ, বিভ্রান্তি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রস্তুতি, গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই নতুন ভারতের জাতীয়তাবাদ ও ডিপস্টেটের চক্রান্ত: একটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণ যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি: বেসামরিক কর্মসূচির আড়ালে বাড়ছে কৌশলগত উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ইংরেজি মাধ্যমে পড়ুয়া মেধাবীদের জন্য বার কাউন্সিল পরীক্ষা যেন ‘কঠিন বাস্তবতা’ না হয়-আইনমন্ত্রী

ACP
হালনাগাদ: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
ইংরেজি মাধ্যমে পড়ুয়া মেধাবীদের জন্য বার কাউন্সিল পরীক্ষা যেন ‘কঠিন বাস্তবতা’ না হয়-আইনমন্ত্রী

ইংরেজি মাধ্যমে পড়ুয়া ও বিদেশে লেখাপড়া করা মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমান বার কাউন্সিল পরীক্ষার পদ্ধতি যেন একটি কঠিন বাস্তবতা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে নজর দেওয়ার জন্য বার কাউন্সিলের কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান।

রাজধানীর সুপ্রীম কোর্ট অডিটোরিয়ামে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) অর্থায়নে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস আয়োজিত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ছয়মাস মেয়াদি ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের প্রথম পর্বের সমাপ্তি ও দ্বিতীয় পর্বের আগমন উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক মেধাবী ছেলেমেয়ে যারা ইংলিশ মিডিয়ামে পড়েছেন কিংবা বিদেশে লেখাপড়া করে এসেছেন, তাদের জন্য বার কাউন্সিল পরীক্ষায় প্রশ্ন পদ্ধতি বাংলায় হওয়ায় প্রতিকূল বাস্তবতা পার হতে হয়। এই জায়গাটি যুগোপযোগী করা যায় কি না, তা বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখতে পারে। তিনি ‘যার নেই কোন গতি, সে করে ওকালতি’—এই ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে আইন পেশার সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন এবং আইন পেশার মান উন্নয়নে সবার এগিয়ে আসার আহ্বান
জানান।
আইনমন্ত্রী অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির প্রশংসা করে বলেন, তাকে এই কর্মসূচি অনেক উৎসাহিত করেছে। তিনি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদ সদস্যদের জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একজন করে ইন্টার্ন দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তাব করেছেন। ইন্টার্নরা সংসদ সদস্যদের গবেষণামূলক কাজ করবে, যা আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়া ও সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে সহায়ক হবে।

এছাড়া, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের আধুনিকায়ন ও বসার জায়গার সংকট নিরসনে বাজেটে বরাদ্দ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান আইনমন্ত্রী। আইন কমিশন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, গত দুই যুগে ১৫০ কোটি টাকার বেশি খরচ করে আইন কমিশন ১৬৯টি আইনের সুপারিশ করলেও গৃহীত হয়েছে মাত্র ৮টি। প্রতিবছর ৮- ১০ কোটি টাকা জনগণের অর্থ ব্যয় করেও প্রত্যাশিত ইনপুট আসছে না।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস লাইনাস র্যাগনার উইকস, ইউএনডিপি’র

আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ, আব্দুল জব্বার ভুঁইয়া, ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম কোর্ডিনেটর ও ডেপুটি অ্যাটর্নি ব্যারিস্টার তাসনুভা শেলী প্রমুখ বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে প্রথম ব্যাচের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২৫ শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান ও নতুন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের শপথ পাঠ করানো হয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..