বেনাপোল প্রতিনিধিঃ বেনাপোল পোর্ট থানার ১৪ টি মামলার আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী রিপন (৩২) দুইদল সন্ত্রাসী গ্রুপের গুলি বিনিময়ের ( বন্দুক যুদ্ধ)সময় নিহত হয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার রাত ১২.৫০ টার সময় যশোরের পাঁচবাড়িয় এলাকায় গুলি বিনিময়ের সময় রিপন নিহত হয় । রিপন বেনাপোলের ছোটআাঁচড়া গ্রামের হাবিব সরদার এর ছেলে।
বেনাপোল পোর্ট থানার এ এসআই মতিয়ার রহমান জানান, রিপনের নামে বেনাপোল থানায় অস্ত্র, নারী শিশু পাচার ছিনতাই সহ সবশেষে বেনাপোল বন্দরের আনসার সদস্যকে পিটিয়ে হত্যার মামলা রয়েছে।
যশোর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াছ হোসেন বলেন, সদর থানার পাঁচবাড়িয়া এলাকায় দুইদল সন্ত্রাসীদের আধিপত্য বিস্তারে গুলিবিনমিয়ের (বন্দুক যুদ্ধ) সময় রিপন নামে একজন নিহত হয়েছে তার বাড়ি বেনাপোল পোর্ট থানার ছোটআঁড়া গ্রামে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, রিপনের মাথায় গুলি গেলে সে ঘটনাস্থলে নিহত হয়।
এলাকাবাসি জানায় রিপন বেনাপোল পোর্ট থানার চোরাই সিন্ডিকেটের একজন নেতা ছিল। সে তার সিন্ডিকেটের সদস্য দিয়ে বন্দর থেকে আমদানি পন্য চুরি করত। সর্বোশেস সে তামা চুরি করে ফিরোজ নামে এক আনসার সদস্যর কাছে ধরা পড়ে। এরপর আনসার সদস্যকে রিপনের নেতৃত্বে গত ১৫ নভেম্বর ৮/১০ জন সন্ত্রাসী বাহিনী বেধড়ক মারপিট করে। ফিরোজকে প্রথমে নাভারন সরকারি হাসপাতাল পরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসায় আশানারুপ ফল না পাওয়ায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয় । ১৫ দিন সেখানে সে সঙ্গাহীন থাকা অবস্থায় ৩০ নবেম্বর রাত্রে সে মারা যায়।
যশোর কোতয়লী থানার ওসি ইলিয়াছ হোসেন আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ানশুটারগান, একটি গুলি ও একটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।




