ইরানের ৫২টি সাইট মার্কিন সেনাবাহিনীর টার্গেটে রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি

আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে সংঘাত এত চরমে যে, যে কোনও মুহূর্তে বিশ্বে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার জোগাড়। এই আশঙ্কায় যখন বুক বাঁধছে গোটা বিশ্বের মানুষ, ঠিক সেই সময় ইরাকে আমেরিকার উপর একের পর এক প্রত্যাঘাত ইরান এয়ারফোর্সের। ইরানের ৫২টি সাইট মার্কিন সেনাবাহিনীর টার্গেটে রয়েছে বলে চরম হুঁশিয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্টের।

একদিকে যখন এহেন আশঙ্কা করা হচ্ছে, অন্যদিকে তখন শনিবার রাতে দফায় দফায় মার্কিন সেনাঘাঁটি টার্গেট করে ফের হামলা করেছে ইরান। ইরাকের মসুলে কিন্দি সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরানের এয়ারফোর্স। এর আগে যদিও মার্কিন দূতাবাস টার্গেট করে মিসাইল অ্যাটাক করে ইরানের এয়ারফোর্স।

দূতাবাস টার্গেট করে হামলা চালিয়েছে ইরান এয়ারফোর্স। মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন জেনারেল সোলাইমানির। আর এই ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রত্যাঘাত। এই অবস্থায় ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, আমেরিকানদের উপর হামলার মতো চরম ভুল যেন না করে। এরপরেও যদি তেহরান আমেরিকানদের উপর কোনও হামলা করে তাহলে কড়া জবাব দেবে আমেরিকা। এহেন মন্তব্যের মধ্যে দিয়ে আদৌতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট যুদ্ধেরই উস্কানি দিলেন বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

যদিও জেনারেল সোলাইমানির মৃত্যুর বদলা নিতে ফুঁসছে ইরান। কড়া জবাব দেওয়া হবে ইতিমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। অন্যদিকে ইজরায়েলের তেলআবিবসহ ৩৫টি লক্ষ্যবসস্তু ইরানের আওতায় রয়েছে। এমনটাই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিপ্লবী গার্ডস কমান্ডার জেনারেল গুলামআলী আবু হামজাহ। তাঁর দাবি, কাসেম সোলাইমানি হত্যার প্রতিশোধ নিতে যেখানে আমেরিকানরা আমাদের আওতায় থাকবে, সেখানেই তাদের শাস্তি দেওয়া হবে। তাঁর এই হুঁশিয়ারির পরিপ্রেক্ষিতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট পালটা বার্তা তেহরানকে। বিশেষ করে আবু হামজাহকে দিলেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

একাধিক সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, পারস্য উপসাগরের জাহাজগুলি সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে আশঙ্কা জাগিয়েছেন সোলাইমানির নিজ শহর কেরমানের বিপ্লবী গার্ডসের এই কমান্ডার। তিনি বলেন, সোলাইমানির হত্যায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার অধিকার ইরানের রয়েছে। তিনি বলেন, পশ্চিমাদের জন্য হরমুজ প্রণালী খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। এখান দিয়ে মার্কিন ডেস্ট্রয়ার ও যুদ্ধজাহাজের বড় একটা সংখ্যক চলাচল করে। বহু আগেই এই অঞ্চলে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুগুলো শনাক্ত করে রেখেছে ইরান।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Brinda Chowdhury
সংবাদ প্রতিনিধি

Brinda Chowdhury

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।