× Banner
সর্বশেষ
স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে নতুন জীবনের স্বপ্ন, ট্রেনের নিচে তরুণী জনগণের সেবায় আন্তরিকভাবে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ৫০০ টাকার বিনিময়ে চুল বিক্রি, দুই সন্তানকে নিয়ে রেললাইনে রেহানা ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের অবদান ৬০ শতাংশে নিতে হবে – শিল্পমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে কাজ করছে সরকার – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু যশোর সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্যসহ আটক-১ বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হবে – ত্রাণমন্ত্রী হাওরে বাড়বে মাছের অভয়াশ্রম, ইজারা প্রথা বাতিলের উদ্যোগ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী তরুণদের নেতৃত্বেই টেকসই হবে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন – তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বেনাপোল ইমিগ্রেশন পরিদর্শনে এসবি প্রধান, যাত্রী হয়রানি বন্ধের নির্দেশ

ফরিদপুর প্রতিনিধি

শারদীয় দুর্গোৎসবের মূল আকর্ষণ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার একান্ন সতীপীঠ

Kishori
হালনাগাদ: রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
শারদীয় দুর্গোৎসবের মূল আকর্ষণ

ফরিদপুরে আজ রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব ২০২৫। প্রতিবছরের মতো এবারও জেলার বিভিন্ন মণ্ডপে চলছে সাজসজ্জা ও প্রতিমা দর্শনের প্রস্তুতি।

দেশের মধ্যে ফরিদপুর অন্যতম জাঁকজমকপূর্ণ দুর্গোৎসবের জন্য পরিচিত। জেলার বিভিন্ন মণ্ডপে যেমন ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ভিড় হয়, তেমনি অন্য জেলা থেকেও হাজারো মানুষ ফরিদপুরে আসেন প্রতিমা দর্শনে।

এবারের দুর্গোৎসবের বিশেষ আকর্ষণ আলফাডাঙ্গা পৌরসভার কুসুমদী গ্রামের শ্রীশ্রী হরি মন্দির। এখানে পৌরাণিক কাহিনির ওপর ভিত্তি করে সতীর ৫১টি পীঠকে প্রতীকীভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। মোট ১৫১টি প্রতিমা নির্মাণ করে এ আয়োজনকে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে।

ভারত থেকে আগত পাঁচজন প্রতিমাশিল্পীর হাতে নির্মিত এসব প্রতিমার পাশাপাশি তৈরি করা হয়েছে ডিজিটাল প্রতিমা। এর মধ্যে রয়েছে ঢোল বাজানো ঢুলি, আরতি দেওয়া প্রতিমা এবং দুর্গার বাঘের নড়াচড়া করা, যা দর্শনার্থীদের কাছে ভিন্নমাত্রার আকর্ষণ তৈরি করবে।

শ্রীশ্রী হরি মন্দিরের উপদেষ্টা কার্তিক চন্দ্র দাস জানান, সতীর আত্মাহুতির পর ভগবান বিষ্ণুর সুদর্শনচক্রে দেবীর দেহ ৫১ খণ্ডে বিভক্ত হয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। সেসব স্থানকে শক্তিপীঠ বা সতীপীঠ বলা হয়। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সেই পীঠগুলো একসাথে প্রদর্শনের জন্যই এ আয়োজন করা হয়েছে।

জেলায় এ বছর ৭৫৯টি পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসব পালিত হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ১৯৮টি, মধুখালীতে ১৫৭টি ও বোয়ালমারীতে ১২২টি মণ্ডপ রয়েছে।

আজ সন্ধ্যায় ষষ্ঠীপূজার মাধ্যমে উৎসব শুরু হবে। এরপর সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীর পূজা সম্পন্ন হয়ে আগামী ২ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে পূজা শেষ হবে।

ফরিদপুর শহরের আকর্ষণীয় পূজামণ্ডপগুলোর মধ্যে রয়েছে,বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাস মালিক গ্রুপ ও মিনিবাস মালিক সমিতির পূজা, টেপাখোলায় শরৎ সাহার বাড়ির মণ্ডপ, নিলটুলী সার্বজনীন পূজামণ্ডপ, শোভারামপুর সাহাপাড়া, বান্ধব পল্লি, লক্ষ্মীপুর পালপাড়া, কাঁসারি পট্টি, খাবাসপুর, ওয়েস্টার্ন পাড়া এবং প্রাচীন ঝিলটুলী সার্বজনীন পূজামণ্ডপ।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার এম এ জলিল জানান, দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন,৭১টি মোটরসাইকেলভিত্তিক মোবাইল টিম,১৫টি স্থায়ী পিকেট টিম,১১টি পিকআপ মোবাইল টিম,ডিবির ৩০ জন সদস্য, ডিএসবির ২৫ জন সদস্য,ট্রাফিক পুলিশের ৪০ জন সদস্য,৩ হাজারেরও বেশি আনসার সদস্য মণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..