আবু নাসের হুসাইন, ফরিদপুর: র্যাব-৮, সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্প কর্তৃক ফরিদপুর কোতয়ালী হতে তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী আরাফাত হোসেন জুয়েল (৩৮) ও তার ২ সহযোগী ফারজানা আক্তার (২৮), আজিম শেখ (৩৫) কে অস্ত্র-গুলি ও ইয়াবাসহ আটক করে।
র্যাব-৮ জানায়, সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল কোম্পানী অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রইছ উদ্দিন এর নেতৃত্বে আজ শনিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭ টার দিকে জেলার কোতয়ালী থানাধীন ব্রাহ্মনকান্দা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ফরিদপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী অর্ধ ডজন অস্ত্র, হত্যা ও মাদক মামলার আসামী ব্রাহ্মনকান্দা গ্রামের মৃত মুনসুর মোল্যার ছেলে আরাফাত হোসেন জুয়েল@ভাগনা জুয়েল ও তার সহযোগী লক্ষীপুর এলাকার ফারুক শেখের মেয়ে ফারজানা আক্তার ও গোয়ালচামট ১নং সড়ক এলাকার মঙ্গল শেখের ছেলে আরিফুল ইসলাম @ আজিম শেখকে আটক করে।
এ সময় আটককৃতদের নিকট হতে ১(এক) টি বিদেশী পিস্তল, ১(এক) টি ওয়ান শুটার গান, ১(এক)টি ম্যাগাজিন, ৯(নয়) রাউন্ড তাজা গুলি, ১টি চাপাতি, ২টি ধারালো চাকু, ১১৫ পিস ইয়াবা ও ১টি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়। ফরিদপুর র্যাব-৮এর অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রইছ উদ্দিন বলেন, আটককৃত আরাফাত হোসেন জুয়েল @ ভাগনা জুয়েল দীর্ঘ দিন যাবৎ ফরিদপুর শহর এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। সে আনুমানিক ১ বছর পূর্বে ঢাকা জেলার সাভার থানাধীন হেমায়েতপুরের আলমনগর সুগন্ধা হাউজিং প্রকল্প এলাকা হতে রাজধানী ঢাকার অন্যতম ত্রাস ফাঁসির দন্ড প্রাপ্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী নোমান ইবনে বাশার @ টিবিএস বাবু(৩৯) এর সাথে অস্ত্র-গুলিসহ র্যাব কর্তৃক আটক হয়েছিলো।
আনুমানিক প্রায় ৫ মাস পূর্বে জামিনে বের হয়ে বর্তমানে ফরিদপুর এলাকায় সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। ভাগনা জুয়েলের বিরুদ্ধে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানা এবং ঢাকা জেলার সাভার থানায় হত্যা, অস্ত্র মামলাসহ সর্বমোট ৬টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া মোছাঃ ফারজানা আক্তার এর বিরুদ্ধে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানা এবং ঢাকা জেলার সাভার থানায় মোট ৪টি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্র-গুলি ও মাদকসহ উল্লেখিত ৩ আসামীকে কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হবে। এ সংক্রান্তে কোতয়ালী থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে ২টি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।





