× Banner
সর্বশেষ
বেনাপোলে  ২টি ককটেল উদ্ধার থাইল্যান্ডের স্কুলে গুলিবর্ষণ: শিক্ষক নিহত, আহত চার বোফর্স মামলায় হিন্দুজা ভাইদের ক্লিনচিট বহাল, আবেদন খারিজ করল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট দিল্লি-বারাণসী বুলেট ট্রেন, সর্ব্বোচ্চ গতি ঘন্টায় ৩২০ কিমি ভারত থেকে টিয়ার গ্যাস আমদানি হাসান মাহমুদের ৩ উইকেট: প্রস্তুতি ম্যাচে চালকের আসনে সিএ একাদশ জিপিএস ছাড়াই মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি বিমানবাহিনীর অভিযান: দাবি শীর্ষ কমান্ডারের চলমান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে -ট্রাম্প পশ্চিমবঙ্গে শব্দদূষণ রোধে লাউডস্পিকার অপসারণ, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের দাবি সরকারের আজ ৭ আগস্ট বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায়

ডেস্ক

নারায়ণগঞ্জের কালী মন্দিরে ভাঙচুরের অভিযোগে যুবক আটক, মানসিক অসুস্থতার দাবি পরিবারের

Kishori
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
প্রতিমা ও জিনিসপত্রে লাথি ভাংচুর
প্রতিমা ও জিনিসপত্রে লাথি ভাংচুর

নারায়ণগঞ্জ শহরের নয়ামাটি এলাকায় অবস্থিত শ্রী শ্রী দরিদ্র ভাণ্ডার কালী মন্দিরে দুর্গাপূজার প্রস্তুতিমূলক কাঠাম পূজা চলাকালে ভাঙচুরের অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মন্দির কর্তৃপক্ষ দোষীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুর প্রায় ১২টার দিকে কাঠাম পূজা চলাকালে ইয়ামিন নাবিল নামে এক যুবক মন্দিরে প্রবেশ করেন। কিছু সময় মন্দিরের ভেতরে ঘোরাঘুরির পর তিনি পূজার জন্য সাজানো ফল, ফুল এবং অন্যান্য সামগ্রীতে লাথি মারেন। এ সময় উপস্থিত কয়েকজন ভক্ত বাধা দিলে তাদের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করার অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার পর মন্দিরে উপস্থিত লোকজন তাকে আটক করেন। পরে তাকে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ তাকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠিয়েছে।

অভিযুক্ত ইয়ামিন নাবিল বন্দরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের শাহী মসজিদ হাফিজবাগ এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

ঘটনার পর অভিযুক্তের বড় ভাই দাবি করেন, ইয়ামিন নাবিল দীর্ঘদিন ধরে সিজোফ্রেনিয়া নামের একটি মানসিক রোগে ভুগছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকালে পরিবারের অজান্তে তিনি বাসা থেকে বের হয়ে যান এবং স্বাভাবিক মানসিক অবস্থায় এ ঘটনা ঘটাননি। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দাও তার মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। তবে এই দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে মন্দির কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী বিচার দাবি করেছেন। একই সঙ্গে ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। সেখানে কেউ পরিবারের মানসিক অসুস্থতার দাবিকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলছেন, আবার কেউ তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..