× Banner
সর্বশেষ
সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিমার্জনের উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে এনজিওদের এগিয়ে আসার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১% রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে – প্রধানমন্ত্রী পাইকগাছায় সুন্দরবনের প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে অভিজ্ঞতা বিনিময় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত  কোটচাঁদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে স্কুলছাত্রীকে হত্যা, ৪ বছর পর যুবকের মৃত্যুদণ্ড দেশে হামের উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু

নন্দীগ্রামে পেঁয়াজের বাজারে আগুন যেন কিছুতেই কমছেবা

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

অসীম কুমার, নন্দীগ্রাম ( বগুড়া)  প্রতিনিধিঃ  পেঁয়াজ আমদানি চলমান থাকলেও বগুড়ার নন্দীগ্রামে কিছুতেই যেন কমছেনা পেঁয়াজের দাম। মুলত ১৪ সেপ্টেম্বর ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্দ ঘোষণা করার পরপরই এক লাফে ৪০ থেকে ৮০ টাকায় পৌঁছে যায় পেঁয়াজের দাম। যা এখনো চলমান রয়েছে।  নন্দীগ্রাম উপজেলার কুন্দার হাট ও দাসগ্রাম হাটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সেখানে উচ্চ মূল্যে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ।  কেজি প্রতি পেঁয়াজ ৮০ টাকা। অথচ চলমান রয়েছে পেঁয়াজ আমদানি। মজুত রয়েছে অন্তত ৬ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ। গতকাল (২৯ সেপ্টেম্বর) চট্রগ্রাম বন্দরে ২ কনটেইনারে পৌছায় পেঁয়াজের প্রথম চালান।খালাস হয়  ৫৮ মেট্রিক টন পেঁয়াজ যা আমদানি করা হয়েছে মিয়ানমার থেকে।  এর পরেই আসে পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ১১৬ টন পেঁয়াজ। এ ছাড়াও তুরস্ক, নেদারল্যান্ড, মিসর থেকেও রয়েছে পেঁয়াজ আমদানির কথা ।  কিন্তু কিছুতেই নন্দীগ্রামে কমছেনা পেঁয়াজের দাম। পেঁয়াজের যতেষ্ট আমদানি ও মজুত থাকার পরেও কেন এত পেঁয়াজের দাম। পেঁয়াজের এই মূল্য বৃদ্ধির জন্য অনেকে দায়ি করছেন অসাধু পেঁয়াজ ব্যবসায়িদের। তাঁদের অধিক মুনাফালোভী মনোভাবকে।
কথা হয় দাসগ্রামে হাটে পেঁয়াজ কিনতে আসা কৃষক রইসউদ্দীনের সাথে।  তিনি পেঁয়াজ কিনেছেন ২৫০ গ্রাম। তিনি বলেন প্রতি হাটে তিনি পেঁয়াজ কিনতেন ১ কেজি করে, কিন্তু এখন পেঁয়াজের দাম বেশি থাকার কারনে তিনি কিনিছেন মাত্র ২৫০ গ্রাম। এই পেঁয়াজ দিয়ে ওনার পরিবারের হবে কিনা জানতে চাইলে বলেন, আমরা গরিব মানুষ ৮০ টাকা দিয়ে পেঁয়াজ কিনলে আর  কাঁচাবাজার করব কি করে।
পেঁয়াজের এত দামের কারন জিজ্ঞাসা করলে খুচরা ব্যবসায়িরা জানান,  তাঁরা বেশি দাম পেঁয়াজ পাইকারি কিনেছেন। তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে তাঁদের ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, আমারা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অসাধু ব্যবসায়িদের জরিমানা করা হচ্চে এবং বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..