× Banner
সর্বশেষ
আজ ২০ জুলাই (৩ শ্রাবণ) সোমবারে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় অশ্রুসিক্ত বিদায় মেসির, বিশ্বকাপের মঞ্চে শেষ হলো এক কিংবদন্তির অধ্যায় আজ সোমবার (২০ জুলাই) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে স্পেনের ফুটবল জাদুতে আর্জেন্টিনার স্বপ্নভঙ্গ, FIFA বিশ্বকাপ ২০২৬ শিরোপা লা রোজার ঘরে বাংলাদেশের আইন মেনেই শেখ হাসিনার বিচার হবে – আইনমন্ত্রী অসুস্থ এমপি সাবেরা নাজমুনকে দেখতে গেলেন বেনাপোল পৌর বিএনপি নেতৃবৃন্দ: রোগমুক্তি কামনা বগুড়ায় ডিবি হেফাজতে হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু, পুলিশের দাবি আত্মহত্যা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে আইএলও’র মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক সরকারি গৌরনদী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষিকার মৃত্যুতে স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান

তেঁতুলিয়ায় কলার বাম্পার ফলন চাষি লতিফের মুখে হাসি

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০১৫

এন,এ,রবিউল হাসান লিটন, পঞ্চগড়:  পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মেহ সাগর ও নেপালী জাতের কলার চাষে বাম্পার ফলন পেয়ে চাষি  লতিফের মুখে হাসি ফুটেছে। তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়নের মাগুড়া গ্রামের আব্দুল লতিফ পেশায়  একজন ক্ষুদ্র চাষি। নিজের তেমন জমিজমা নেই।

অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষ করে বৃদ্ধা মা, অনার্সে পড়ুয়া ছোট ভাই, এক ছেলে ও স্ত্রীসহ ৫ সদস্যের পরিবারের ভরণ-পোষণ  করেন। লতিফের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় বাড়ি সংলগ্ন ৫৫ শতক ডাঙ্গা জমিতে  কলার চাষ করেছেন। তার সঙ্গে আলাপে জানা যায়, ১৪১৯ বাংলা সালের শ্রাবণ ও ভাদ্র মাসে দিনাজপুরের পাঠিয়া ডাঙ্গী থেকে প্রথম অবস্থায়  ৩শত কলার চারা এনে ২০ শতক জমিতে লাগান। ওই  বছর ৭০ হাজার টাকার কলা বিক্রি করেন। খরচের ২০
হাজার টাকা বাদ দিয়ে প্রথম বছরই লাভ করেন ৫০ হাজার টাকা। পরের বছর পার্শ্ববর্তী আরো ৩৫ শতক জমিতে নিজ বাগানের উৎপাদিত কলার চারা রোপণ করেন।

২০১৪ সালে তিনি ৫৫ শতক জমির  উৎপাদিত কলা পাইকারী দরে দেড় লক্ষাধিক টাকা বিক্রি করেন। খরচ বাদ দিয়ে প্রায় এক লক্ষ টাকা  লাভ করেন। একই জমিতে ২০১৫ সালে ৬০ শতাধিক কলাগাছে বাম্পার ফলন ধরেছে। তার বাগান কেনার জন্য স্থানীয় কলা ব্যবসায়ী ও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকারী ব্যবসায়ীরা আসলেও বাজার দরের তূলনায় দাম কম ধরায় তিনি নিজেই ক্ষেত থেকে কলা কেটে পাকিয়ে সিপাইপাড়া, তিরনইহাট, রণচন্ডিহাট, শালবাহান হাট ও চৌরাস্তা বাজারে বিক্রি শুরু করেন। এবছর তিনি উৎপাদিত কলা দেড় লক্ষাধিক টাকা বিক্রির আশা করছেন। লতিফ বলেন, বাজারে অনেক ব্যবসায়ী বিষাক্ত  কীটনাশক দিয়ে কলা পাকিয়ে বাজারজাত করলেও  তিনি তা করতে রাজি নন। আরও জানান, কলা গাছে  তেমন কোন রোগ বালাই হয় না।

চাষে পরিশ্রমও কম। চারা রোপণের পর বছরে ৪ বার সার-কীটনাশক দেয়ার পাশাপাশি খরা মৌসুমে কমপক্ষে দুইবার সেচ দিতে পারলেই আর কিছু লাগে না। তবে চাষি লতিফের অভিযোগ উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্রে তার বাগান হলেও কৃষি অফিসের কোন লোকবল কোন দিন দেখতে আসেনি। কোন রোগ বালাই দেখা দিলে তিনি কীটনাশক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করেই সমস্যার সমাধান করেন।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. জাহাংগীর আলম জানান, উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে প্রায় ৬ হেক্টর জমিতে কলা চাষাবাদ হচ্ছে। সঠিক সময়ে বাজারজাত করতে পারায় এ অঞ্চলের কলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে। তাছাড়া তেঁতুলিয়ায় প্রচুর পরিমাণে কলার চাহিদা রয়েছে। কিন্তু উপজেলায় স্বল্প পরিসরে চাষ হওয়ায় ব্যবসায়ীরা দিনাজপুর, দশমাইল, বগুড়া ও বালিয়াডাঙ্গী এবং ঠাকুরগাঁও এলাকা থেকে পাইকারী দামে কলা কিনে তেঁতুলিয়ার হাট-বাজারে বিক্রি করছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..