× Banner
সর্বশেষ
বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আসাদুজ্জামান আসাদ প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে যোগদানের আমন্ত্রণ পর্যালোচনা করছে সরকার – পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুন্দরবনের বাঘ ও আবাসস্থল রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর – পরিবেশমন্ত্রী দেওয়ানি মামলার জট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার – আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভুবন ভোলানো হাসিতে মন জয় করা তাহসিনের সাক্ষাৎ ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি শ্রমিকদের আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পের টাকা জনগণের, এক টাকার অপচয়ও সহ্য করা হবে না: তথ্যমন্ত্রী হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগানো দালাল চক্র ও সিজার বাণিজ্য স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়া সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: মীর শাহে আলম

তুলে নিয়ে নদীর চরে নাবালিকাকে ধর্ষণ, মুখ খুললে হত্যা হুমকি শামসুলের

Kishori
হালনাগাদ: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০
নদীর চরে নাবালিকাকে ধর্ষণ

দেবাশীষ মুখার্জী, কূটনৈতিক প্রতিবেদক: জোর করে তুলে নিয়ে নদীর চরে ফেলে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে মহম্মদ শামসুল। মুখ খুললে বা ধর্ষণের কথা প্রকাশ করলে প্রাণে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয় অভিযুক্ত শামসুল।

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার ১০ অক্টোবর ভোর রাতে পশ্চিম বঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কুলতুলি থানার মেরিগঞ্জ ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের নয়াপাড়া গ্রামে। নদীর চড়ে ধর্ষিতা নাবালিকাকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা। তারাই পরিবারের লোককে খবর দেয়। পরিবারের লোক গিয়ে ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে জয়নগর হাসপাতালে নিয়ে আসে।

কী ভাবে নারকীয় অত্যাচারের ঘটনাটি ঘটেছিল, জানিয়েছে নিগৃহীতা – ভোররাতে সে ঘরের বাইরের বাথরুমে গিয়েছিল। সেইসময় ঐ বাড়ির উপরের পথ ধরে নদীতে মাছ ধরতে যাচ্ছিল অভিযুক্ত মহম্মদ শামসুল। নাবালিকাকে একা পেয়ে তার মুখ চাপা দিয়ে তাকে নদীর পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানেই তাকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত৷ মেয়েটির বাবা দীর্ঘক্ষণ মেয়েকে দেখতে না পেয়ে ডাকাডাকিও করছিল, সেই ডাক শুনতে পাচ্ছিল ধর্ষিতা মেয়েটি৷ কিন্তু সাড়া দেওয়ার মতো শরীরে কোনও জোর পাচ্ছিল না৷

মেয়েটির পরিবার বলেন, পশ্চিমবঙ্গে মহম্মদ শামসুলরা একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েই চলেছে, অথচ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নীরব। উত্তরপ্রদেশে একটি দলিত সম্প্রদায়ের মেয়ে পারিবারিক কলহে নিহত হওয়ায়,মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দুদের বর্ণভেদ উসকে দিতে পদযাত্রা করতে পারেন, আগুন ঝরানো ভাষণ দিতে পারেন, কিন্তু মহম্মদ শামসুলদের ধর্ষণের বিরুদ্ধে টুঁ-শব্দটিও করতেও সাহস পান না।

তারা বলেন, কোথায় আজ রাহুল গান্ধী? কোথায় আজ প্রিয়াঙ্কা রবার্ট? কোথায় সোনিয়া গান্ধীর ভিডিও বার্তা? তারা এখন নর্তন-কুর্দন করছে না কেন? এখন তারা ধর্ষিতা দলিত মেয়েদের বিরুদ্ধে গিয়ে, ধর্ষক মহম্মদ শামসুলদের পক্ষে মৌনতা অবলম্বন করেছে কেন?


এ ক্যটাগরির আরো খবর..