কালীগঞ্জে আবারও গাছের সাথে শত্রুতা। গাছগুলো কারা যেন রাতের আঁধারে কেটে দিয়েছে। লিজ নিয়ে ৮১ শতাংশ জমিতে ৮৭০ টি কুল গাছের চারা ১মাস আগে লাগিয়েছিল অভাবী কৃষক। তার মধ্যে ৩শত টি কুল গােেছর চারা কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের ছালভরা সংলগ্ন ভাটপাড়া গ্রামের ফসলের মাঠে মঙ্গলবার রাতে গাছগুলো কাটা হয়েছে। ভাটপাড়া গ্রামের প্রতিবন্ধী ইসমাইল এর ছেলে শরিফুল ও মনিরুলের সাথে পাশ্ববর্তী জমির স্বত্বাধিকারী কালীগঞ্জ শহরের বাসিন্দা সাইফুদ্দিন আহম্মেদ এর মাঝে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে একাধিকবার ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি সুরহা করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার সকালে ক্ষেতে গিয়ে কৃষক আজগর আলী মন্ডল দেখেন কুলগাছের চারা গুলো উঠিয়ে ফেলা হয়েছে।
কৃষক আজগর আলী মন্ডল বলেন,জমি লিজ নিয়ে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে এ বছর বৃহৎ পরিসরে কুলগাছ লাগিয়েছে। জমির মালিকের সাথে বিরোধ থাকতে পারে আমার ক্ষেত কেন নষ্ট করবে। ইতিপূর্বেও ছাগল দিয়ে অনেক ক্ষতি তারা করেছে। ক্ষেতে সব মিলিয়ে খরচ হয়েছিল প্রায় ৩ লক্ষ টাকা যার বেশির ভাগ তিনি ধার নিয়ে জোগাড় করেছিলেন।
পাশ্ববর্তী জমির মালিক ইসমাইল হোসেন জানান,ছাগল নিয়ে বিরোধ থাকার কারনে ছাগল বিক্রি করে দিয়েছি। আমি আমার জমি ভজাতে পারছি না। জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে কিন্তু গাছ কাটার বিষয়ে কিছু জানি না।
সুন্দরপুর দূর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামান ওদু জানান, জমি সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান করতে বসলে ইসমাইল সবকিছু মেনে নিলেও পরে ফ্যাসাদ বাধায়। যারা কুলগাছ কেটেছে তাদের আইনগত বিচার হওয়া প্রয়োজন।
কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সিকদার মোঃ মোহাইমেন আক্তার কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। কালীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রহিম মোল্যা জনান,অভিযোগ পেয়েছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব।





