× Banner
সর্বশেষ
‘জুলাই কার’, এই বিতর্ক করলে জুলাই কারও থাকবে না – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিদেশি এজেন্ট দিয়ে দেশ অস্থির করার অপচেষ্টা চলছে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের পোর্টফোলিও থেকে প্রথম সফল এক্সিট সম্পন্ন করল পালসটেক লিমিটেড পাকিস্তানের ইসলামাবাদে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনার কারণেই জ্বালানি খাতে বর্তমান সংকট – বাণিজ্যমন্ত্রী শক্তিশালী হলেও অপরাধীদের বিচার হবেই – প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধা মিতুর খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই শহিদ পরিবার ও যোদ্ধাদের মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব – ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে সরকার – মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

চামড়া ও পোশাক শিল্পে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী, ২০১৬

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক: যেসব প্রতিষ্ঠান চামড়া ও পোশাক শিল্পে গ্রিন প্রোডাক্ট তৈরি করছে তাদেরকে খুব শিগগিরই ২০০ মিলিয়ন ডলার স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে যে কোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর এ কথা বলেন।

টেকশই উন্নয়নে সবুজ অর্থায়নের গুরুত্ব তুলে ধরতে ‘গ্রিন ফাইন্যান্স ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ সোলার এন্ড রিনিউয়েবেল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরআইএ)।

গভর্নর বলেন, ‘বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পে ইতোমধ্যে বিশ্বের মধ্যে একটি নেতৃস্থানীয় পর্যায়ে এসেছে। কিন্তু এ অবস্থানকে আরো সুদৃঢ় ও টেকশই করতে হলে বাংলাদেশকে বিশ্বে বেশি বেশি ব্রান্ডিং করতে হবে। এক্ষেত্রে সবুজ প্রোডাক্টের বিকল্প নেই। আমরা গার্মেন্টসগুলো থেকে সবুজ বস্ত্র ও চামড়ার পণ্য উৎপাদন করব। এর মাধ্যমে সারা বিশ্বকে একটি বার্তা দিতে চাই যে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার হয়েও সেটি মোকাবেলায় নিজেদের অর্থায়নে সবুজ পণ্য তৈরি করছি।’

গ্রিন প্রোডাক্ট তৈরিতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য খাতেও অর্থায়ন সুবিধা দেওয়া হবে জানিয়ে গভর্নর বলেন, ‘রিজার্ভ থেকে ইতোমধ্যে ২০০ মিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ আলাদা করে রাখা হয়েছে। এ তহবিল থেকে অত্যন্ত স্বল্প সুদে বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণ দেওয়া হবে। প্রয়োজনে অর্থের পরিমাণ আরো বাড়ানো হবে।’

এ বিষয়ে সরকারকেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে মন্তব্য করে আতিউর রহমান বলেন, ‘সরকারকেও অনুরোধ করব, জলবায়ু মোকাবেলায় যেসব পণ্য দরকার সে সব পণ্য তৈরিতে যেন শুল্কমুক্ত সুবিধাসহ সব ধরনের সুবিধা অব্যাহত রাখে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫০টি সবুজ পণ্য রয়েছে। এগুলো বাড়াতে সবাই মিলে একত্রে কাজ করে যাচ্ছি।’

সবকিছুকে ডিজিটালাইজড করা সবচেয়ে বড় গ্রিন প্রোডাক্ট উল্লেখ গভর্নর বলেন, ‘আজকে মোবাইল ফোন আসাতে অনেক পণ্যের ওপর চাহিদা কমেছে। আমাদের লেনদেনগুলোকে আকাশে ভাসিয়ে দিচ্ছি। হাজার হাজার মানুষ মোবাইল ফোনে লেনদেন করছে। এভাবে আমরা সবার মাঝে এই সেবা পৌঁছাতে পারলেই আমাদের স্বার্থকতা। সবার আগে গ্রামের সাধারণের কাছে যেতে চাই। আমরা একটি শক্তি চাই আর সে শক্তি হবে গ্রিন শক্তি।’

রপ্তানিখাত গুরুত্বপূর্ণ ইঞ্জিন উল্লেখ করে গভর্নর বলেন,  ‘আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইঞ্জিন হচ্ছে অভ্যন্তরীণ চাহিদা। এটা পূরণ করতে পারলে আমরা আর থেমে থাকব না। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক আশাবাদে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। তাহলে বুঝা যাচ্ছে আমরা কতটুকু সম্ভাবনাময় দেশ।’

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী, সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (স্রেডার) চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম শিকদার, ইডকলের সিইও মাহমুদ মালিক, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজার আর খান প্রমুখ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..