× Banner
সর্বশেষ
লালবাগ কেল্লা পরিদর্শন করলেন মার্কিন নৌ কমান্ডার বিতর্কিত সেই পরিকল্পনার জন্য ক্ষমা চাইলেন ফিফা সভাপতি দেশের সব নাগরিকের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জেরুজালেম ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হতে জর্ডানে মুসলিম দেশগুলোর বৈঠক ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৬৬ জন, মামলা ৫৭ নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ডাকাত গ্রেপ্তার শতবর্ষের চলাচলের পথ বন্ধ, অবরুদ্ধ সংখ্যালঘু তিন পরিবার ট্রাম্পের হেলিকপ্টারের কাছাকাছি যাত্রীবাহী বিমান, তদন্ত শুরু রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উদযাপিত: প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার আহ্বান স্বামী ভক্তিপ্রসাদ মধুসূদন গোস্বামী মহারাজের আবির্ভাব তিথি আজ

নোয়াখালী প্রতিনিধি

এক্স-রেতে নারীর পেটে মিলল ১৯০০পিস ইয়াবা

Kishori
হালনাগাদ: শনিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
নারীর পেটে মিলল ১৯০০পিস ইয়াবা

নোয়াখালীতে এক নারীর পেট থেকে ১ হাজার ৯০০পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মা-ছেলেসহ তিনি আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।গ্রেফতারকৃতরা হলেন, কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়া পালুং পশ্চিম পাড়া গ্রামের রহিম উল্যার স্ত্রী সাবেকুন নাহার (৫১) তার ছেলে সৈয়দ হোসেন (২১) এবং কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার আশোকতলা এলাকার মো. রকি (২১)।
শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আবদুল হামিদ।  এর আগে, একই দিন  বিকেলে জেলা শহর মাইজদীর মা ও শিশু হাসপাতালে এক্স-রে করে পেট থেকে ইয়াবা গুলো জব্দ করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কক্সবাজার থেকে এক নারী তার ছেলে ইয়াবার চালান নিয়ে কুমিল্লা হয়ে নোয়াখালী আসবেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে ফেনীর লালপোল এলাকায় তল্লাশি চৌকি বসিয়ে একটি বাস থেকে সাবেকুন নাহার ও তার ছেলে সৈয়দ হোসেনকে আটক করা হয়। পরে তাদের ভাষ্যমতে, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকা থেকে আরেক মাদক কারবারি রকিকে আটক করা হয়।
ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে মাদক কারবারি সাবেকুন নাহার স্বীকার করে তার পেটে ১ হাজার ৯০০টি ইয়াবা রয়েছে। পরে আটক তিনজনকে ঘটনাস্থল থেকে নোয়াখালী আনা হয়। এরপর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে এক্স-রে করে পেটে ইয়াবা রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। একপর্যায়ে ওষুধ সেবন করিয়ে নারীর পেট থেকে ইয়াবার ৩৮টি প্যাকেট বের করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ৫০টি ইয়াবা ছিল।   সর্বমোট ১ হাজার ৯০০ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আরও জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে সুধারাম থানায় এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ওই মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..