× Banner
সর্বশেষ
২০ আগস্ট নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, তফসিল ঘোষণা কমিশনের শিকলমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ঢাকায় মহাসমাবেশসহ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য জোট সচিবালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন সূর্যের পৃষ্ঠে লুকিয়ে ছিল যে রহস্য বোরকাপরা নারীর ইশারায় থামে বাস, ২০ মিনিটে ৫৭ লাখ টাকা লুট লালবাগ কেল্লা পরিদর্শন করলেন মার্কিন নৌ কমান্ডার বিতর্কিত সেই পরিকল্পনার জন্য ক্ষমা চাইলেন ফিফা সভাপতি দেশের সব নাগরিকের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জেরুজালেম ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হতে জর্ডানে মুসলিম দেশগুলোর বৈঠক

আইএস এর ৬৪ নম্বর ফতোয়া প্রকাশ

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আইএস-এর এবারের ফতোয়ার বিষয় হচ্ছে, কী ভাবে যৌনদাসীদের ব্যবহার করতে হবে। যেখানে ব্যাখ্যা করা হয়ছে, ‘ধর্ম’ মেনে কী ভাবে যৌনদাসীদের শয্যাসঙ্গী করতে হবে! ৬৪ নম্বর ওই ফতোয়ায় জঙ্গিগোষ্ঠীর ধর্মতত্ত্ববিদেরা রীতিমতো বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন, কেন নারীদের যৌনদাসী করে রাখা উচিত। কাকে, কখন, কী ভাবে শয্যাসঙ্গী করা ‘বৈধ’ তা নিয়েও রয়েছে বিস্তারিত আলোচনা।

ইসলামিক স্টেটের ‘কমিটি অব রিসার্চ অ্যান্ড ফতোয়াজ’ ২০১৫ সালের ২৯ জানুয়ারি প্রথম এই ফতোয়া প্রকাশ করে। তবে এত দিন এই নিয়মাবলি জঙ্গিগোষ্ঠীর অন্দরমহলেই প্রচারিত হয়েছে। গত মে মাসে একটি জঙ্গিঘাঁটিতে হামলা চালানোর সময় এই পান্ডুলিপি মার্কিন সেনাদের হাতে আসে। তার পরেই সেই লিখিত ফতোয়াটির বেশ কয়েকটি পৃষ্ঠা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
এই ফতোয়ায় লেখা হয়েছে, ‘আমাদের কিছু ভাই যৌনদাসীদের ব্যবহার করার আইন ভাঙছে। শরিয়তে এই বেআইনি কার্যকলাপের কোনও জায়গা নেই। তবে, এই বিষয়ক আইন নিয়ে বহু বছর আলোচনা হয়নি।’ মোট ১৫টি বিধি উল্লেখ করা হয়েছে ওই পান্ডুলিপিতে। বলা হয়েছে, বাবা-ছেলে একই যৌনদাসীকে শয্যাসঙ্গী করতে পারবে না। একই ভাবে, কোনও একজন মালিকের অধীনে যৌনদাসী হিসেবে কোনও মা-মেয়ে থাকলে তাদের এক জনকে বেছে নেবে মালিক।

জঙ্গিগোষ্ঠীর এই ফতোয়া সামনে আসার পর তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে বিশ্ব জুড়ে। জাতিসংঘ এবং সিরিয়া-ইরাকে কাজ করা বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের রিপোর্ট বলছে, কয়েক বছর ধরে নারীদের অপহরণ করছে জঙ্গিরা। রেয়াত করা হচ্ছে না শিশু-কিশোরীদেরও। ভিন্ন ধর্মের নারীদের গায়ে স্টিকার লাগিয়ে খোলা বাজারে বিক্রিও করে তারা।

২০১৪ সালে যৌনদাসীদের সঙ্গে কী কী করা উচিত তা নিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে আইএস। তাতে কিছু নিয়মের উল্লেখ থাকলেও কোনও ‘বিধি’ চালু করা হয়নি। গত জানুয়ারিতে সংগঠনের অন্দরে অভিযোগ ওঠে, যৌনদাসীদের ‘ব্যবহারে’ অনেক জেহাদিই ‘জঙ্গি-আইন’ ভাঙছে। পরিস্থিতি সামলাতে যৌনদাসীদের ‘ব্যবহার’ করার এই আইন তৈরি হয় তখনই!

আমেরিকার প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইএস বিশেষজ্ঞ কোল বানজেল বলছেন, আইএসের নারী নির্যাতনের যত তথ্য এ পর্যন্ত সামনে এসেছে তার মধ্যে নিকৃষ্টতম এই ফতোয়া।

তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট


এ ক্যটাগরির আরো খবর..