সেফ এক্সিট

সেফ এক্সিট

বাংলাদেশে ‘সেফ এক্সিট’ নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে।  ‘সেফ এক্সিট-র বাংলা কি? নিরাপদ প্রস্থান, না নিরাপদ পলায়ন? আরো খোলাসা করে বলা যায়, জীবনটা হাতে নিয়ে অন্যের দয়ায় নিরাপদে দেশ থেকে পলায়ন। মাত্র ১৪ মাসের মাথায় বাংলাদেশে পুরো সরকার বা সকল উপদেষ্টারা এখন  ‘সেফ এক্সিট’ নিয়ে ভাবছেন।

খবর বেরিয়েছে যে, ৫ উপদেষ্টা শেখ হাসিনা’র সাথে যোগাযোগ করেছেন, ক্ষমা চেয়েছেন এবং ‘সেফ এক্সিট’ চেয়েছেন। আমার জানামতে, ঘটনা সত্য। এদিকে শেখ হাসিনা দিল্লিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মিটিং সেরে বলেছেন, আমি শিগগিরি ঢাকা ফিরছি। পুতুল তার মা-কে নিয়ে এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, সুখবর, আমরা ডিসেম্বরে ঢাকা ফিরছি।

‘সেফ এক্সিট’ ইস্যুটি তুলেছেন এনসিপি নেতারা। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা সেফ এক্সিট খুঁজছেন– সম্প্রতি এনসিপি নেতাদের এমন বক্তব্যের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, এই সরকারের উপদেষ্টারা খুবই দেশপ্রেমিক। তারা গেল ১৪ মাসে চমৎকারভাবে দেশ পরিচালনা করেছেন। তাদের মধ্যে কেউ ভালো পারফরমেন্স করেছেন, হয়তো বা কেউ কম করেছেন। তারা এই দেশেরই সন্তান, এই দেশেই থাকবেন।

উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, নাহিদকে পরিষ্কার করতে হবে কারা ‘সেফ এক্সিট’ চায়। সাথে বলেছেন, আমি চাইনা, আমি দেশেই থাকবো। না ম্যাডাম, আওয়ামী লীগ আমলে আপনি ভালই ছিলেন, এবার বঙ্গবন্ধু কন্যা হয়তো জাতির পিতার মত ততটা ‘উদার’ নাও হতে পারেন? তাই, প্রথম সুযোগেই দেশ ছাড়বেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।