× Banner
সর্বশেষ
আজ ১১ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ (১১ শ্রাবণ)  ২৮ জুলাই মঙ্গলবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’ বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রকল্পে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে – আফরোজা নতুন কুঁড়ি ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন সিলেট-রংপুর

রামমন্দির না হলে ভোট নয় বিজেপিকে-বিশ্বহিন্দু পরিষদ

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৮

আগামী লোকসভা নির্বাচনেও রামমন্দির ইস্যুকে সামনে আনতে ততপর বিশ্বহিন্দু পরিষদ। তাদের দাবি, ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের আগে অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের কাজ শুরু না হলে বিজেপিকে আর ভোট নয়। শুক্রবার মুম্বাইয়ে জাতীয় বৈঠকের পর শনিবার কলকাতায় জাতীয় গ্রন্থাগারের হলে বৈঠক সারলেন বিশ্বহিন্দু পরিষদ নেতারা। কলকাতায় এই বৈঠক উপলক্ষে জাতীয় গ্রন্থাগারের সামনে বিক্ষোভ দেখাল ডিএসও ও কংগ্রেস।

শুক্রবার মুম্বইয়ে রামমন্দির নির্মান নিয়ে আলোচনায় বসে বিশ্বহিন্দু পরিষদের গড়া একটি কমিটি। এই কমিটি। এই কমিটিতে এদিনই রামমন্দির নির্মাণ সংক্রান্ত একটি বিল সরকারকেও পাস করতে হবে, যাতে রামমন্দির নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরুহয়। সংগঠনের তরফে বলা হয়, সরকার যদি তাদের দাবি না মানে এবং কবে থেকে মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হবে তা না জানায় তাহলে তাদের আন্দোলনের পথ বেছে নিতে হবে। রামমন্দির সংক্রান্ত ভিএইচপির এই কমিটিতে রয়েছে গ্রাম মন্দির তৈরি আন্দোলনের বিভিন্ন সাধুরাও

এরপরই শনিবার কলকাতায় বৈঠকে বসে বিশ্বহিন্দু পরিষদ। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, সারা দেশের পাশাপাশি এরাজ্যেও রামমন্দির নিয়ে প্রচারে নামবে বিশ্বহিন্দু পরিষদ। এরাজ্যের বিভিন্ন জেলায় স্বাক্ষর সগ্রহএর কথাও ভাবছে বিশ্বহিন্দু পরিষদ।

এদিন, বিশ্বহিন্দু পরিষদের সভা করা নিয়ে জাতীয় গ্রন্থাগারের সামনে বিক্ষোভ দেখায় ছাত্র পরিষদ ও আইএনটিইউসি। উভয়ের পক্ষ থেকেই দাবি করা হয়, দুর্গোৎসবের মরসুমে বাংলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করতে চায় বিশ্বহিন্দু পরিষদ। জাতীয় গ্রন্থাগারে এই বৈঠক করতে দেওয়া উচিত নয়।

শুক্রবারও এই বৈঠক রুখতে জাতীয় গ্রন্থাগারে ডেপুটেশন দেয় ছাত্র পরিষদ। একই কারণ দেখিয়ে বৈঠক দেখায় ডিএসও। ছাত্র পরিষদ ও আইএনটিইউসির এই বিক্ষোভের কারণে আলীপুর থানা ৯৮জনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে এদিন সন্ধ্যার আগেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন ধরেই মন্দির নির্মাণের জন্য চাপ বাড়াচ্ছে আরএসএসও। মোহন ভাগবতের মতে, রাজনীতির উর্দ্ধে উঠে সরকারের উচিত যত দ্রুত সম্ভব রামমন্দির তৈরি করা। কারণ রাম মন্দির সাধারণ মানুষের আবেগ। রাম মন্দির তৈরিতে আর বিলম্ব করা উচিত নয়। যেখানে রামচন্দ্রের জন্ম হয়েছিল সেখানে রাম মন্দির তৈরি হোক এটাই মানুষ চাইছেন।

সংঘ প্রধানের আরও দাবি, রাম মন্দির সমস্যার জন্যই দীর্ঘদিন এদেশে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাতের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। মন্দির নির্মাণ হলে, এই সংঘাতও দূর হবে। প্রয়োজনে বিল পেশ করে মন্দির তৈরি করতে হবে। বর্তমান রাজনীতির যা পরিস্থিতি তাতে বিরোধীরাও মন্দির বিলের বিরোধিতা করতে পারবে না।

২৭শে সেপ্টেম্বর এক ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল নামাজের জন্য মসজিদ অপরিহার্য নয়, সরকার চাইলে যে কোনও ধর্মস্থানের জমি অধিগ্রহণ করতে পারে। বিশ্বহিন্দুপরিষদ তথা আরএসএসের ধারণা সুপ্রীম কোর্টের এই রায়ে মন্দির তৈরির পথ সুগম হয়েছে। যদিও সর্বোচ্চ আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ওই রায়ের সঙ্গে অযোধ্যার বিতর্কিত মামলার রায়ের কোনও সম্পর্ক নেই।

আগামী ২৯শে অক্টোবর থেকে নিয়মিত অযোধ্যা মামলার শুনানি হবে সুপ্রীম কোর্টে। তার আগে কেন্দ্রের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে হিন্দুবাদী সংগঠনগুলি। তাদের দাবি, যদি শীর্ষ আদালতের রায় সরকারের বিপক্ষেও যায় তাহলেও আইন এনে তৈরি হোক রামমন্দির।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..