বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে পরস্পর পরিপূরক হতে হবে এবং যেসব এলাকায় প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে, সেখানে স্থানীয় জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ ও সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে হবে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার চলমান এবং অনুমোদনবিহীন নতুন প্রকল্প পর্যালোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
আজ বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আফরোজা খানম বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে বিচ্ছিন্নভাবে পরিকল্পনা বা বাস্তবায়ন করা যাবে না। সামগ্রিক সুফল ও কার্যকারিতা বাড়াতে এক প্রকল্পের সঙ্গে অন্য প্রকল্পের সমন্বয় থাকতে হবে।
তিনি বিশেষভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন এলাকার স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ স্থাপন এবং তাদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার আলোকে প্রকল্প প্রণয়নের সময় এর সম্ভাব্যতা ও ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করতে হবে।
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সংস্থাগুলোকে প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চলমান প্রকল্পগুলো সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।
সভায় বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন করা প্রয়োজন।
তিনি সরাসরি সরকারি অর্থায়ন বা সরকারি তহবিলের (জিওবি) পরিবর্তে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, ‘সরাসরি সরকারি অর্থায়ন বা জিওবি তহবিলের পরিবর্তে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা করা উচিত।’
তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন উদ্যোগের সুফল শেষ পর্যন্ত জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে রূপান্তরিত বাংলাদেশের সুফল দেশের মানুষ যাতে ভোগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।’
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকীও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।