× Banner
সর্বশেষ
শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি ইরান যুদ্ধের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার: পেন্টাগন প্রধান কোটালীপাড়ায় রুদ্রিকা দে রিংকি’র অন্নপ্রাশন ও ভাগবত পাঠ অনুষ্ঠিত টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর বাজারে সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী

মহামারি করোনা আতঙ্কেও থেমে নেই এনজিওগুলোর কিস্তি আদায়

Kishori
হালনাগাদ: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২০
ঋণের কিস্তি বন্ধের দাবী

সচ্চিদানন্দ দে সদয়ঃ বিশ্বব্যাপী জনসাধারনের মাঝে করোনা ভাইরাস আতঙ্কে মানুষ ঘরবন্দি হলেও তাদের কাছ থেকে ঋণের টাকা আদায় বন্ধ করেনি এনজিও ও সমিতি কর্তৃপক্ষ।

প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে সবাই প্রয়োজনের চেয়েও বেশি সতর্কতা অবলম্বন করছেন। ব্যক্তি নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ধীরে ধীরে ফাঁকা হতে শুরু হয়েছে হাটবাজার গুলো। আর কর্মজীবী মানুষ বাইরে বের হলেও তাদের চোখমুখে আতঙ্কের ছাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ইজিবাই চালক, ভ্যানচালক, ভাড়ায় মটর সাইকেল চালকরা যাত্রী পাচ্ছেন না। বাজারেও জনসমাগম কমছে। ছোট খাট দোকানীদের বেচাবিক্রয় নেই বল্লে চলে। দিন মুজুরদের কাজে নিচ্ছেন নাঅনেকে। কিন্তু এ উপজেলার করোনা আতংকিত হয়ে মানুষের পিছু ছাড়ছে না আশা, ব্রাক, গ্রামীণ ব্যাংক, জাগরনী চক্র, টিএমএস, সার্স, সহ অন্যান্য এনজি ও ব্যক্তি পর্যায়ে গড়ে উঠা সমিতি গুলো। করোনা ভাইরাস আতঙ্কে ফাঁকা এলাকার কিস্তি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে এসব এনজিওর কর্মীদের বিরুদ্ধে। এতে ঋণগ্রহীতারা চরম বিপাকে পড়েছেন।

জানা যায়, সুদের হার বৃদ্ধি পাবে মর্মে ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করেছে কর্তৃপক্ষ। ফলে নিরুপায় হয়েই মানুষ ধারদেনা করে অতিকষ্টে এনজিওর কিস্তি দিতে হচ্ছে ঋণগ্রহীতাদের। এরপরও অল্পসংখ্যক সদস্য সাপ্তাহিক কিস্তি দিতে না পারলেও দু-একদিন পরই কিস্তি আদায় করা হচ্ছে তাদের কাছ থেকে।

ঋণগ্রহীতারা জানান, করোনা আতঙ্কে আতংকিত হয়ে কাজ না থাকায় অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটছে এসব মানুষের। এরপরও এনজিওগুলো আমাদের কোনো সাহায্য সহযোগিতা না করে উল্টো কিস্তির জন্য চাপ দিচ্ছে।

এসব মানুষের মধ্যে আছে দিন মুজুর, রিকশাচালক, অটো চালক, ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ী। অপরদিকে সমাজসচেতন ব্যক্তিরা বলেন, সরকার যেখানে স্কুল কলেজ সহ জনসমাগম নিষিদ্ধ করেছেন সেখানে এ সকল এনজিও গুলো জনসমাগম করে কিস্তি আদায় করছে, এটা কত টুকু ন্যায় সঙ্গত সেটা ভাববার বিষয়।

অপর দিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন এনজিও কমী বলেন, আমরা জীবনের ঝুকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের কে বিভিন্ন লোকের সংস্পর্শে আসতে হয়, সেখানে বিদেশ ফেরত লোক সহ নানা ধরনের ঋন গ্রহীতা থাকে। আমাদের পরিবার এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন। বিষয়টি নিয়ে উদ্ধত্তন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকষণ করেছেন ভুক্ত ভোগি মহল।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..