× Banner
সর্বশেষ
দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উপদ্রুত এলাকায়  আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি

ভুয়া সনদে দপ্তরীর চাকুরী হওয়ায় এলাকায় ক্ষোাভঃ ডিসি ও দুর্ণীতি দমনে অভিযোগ প্রেরন

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭

নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম প্রহরী পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাজিনা সারোয়ার যাচাই-বাছাই ছাড়াই অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ভুয়া স্কুল সনদ ও ভূয়া জন্ম সনদ দিয়ে চাকুরী প্রদান করায় জনমনে দেখা দিয়েছে মারাত্মক ক্ষোভ। এ ব্যাপারে মেধা তালিকায় ৩য় স্থান অর্জনকারী প্রাথী হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ প্রেরন করছেন।

অভিযোগ সুত্রে জানাযায়,নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৫৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম প্রহরী পদের মৌখিক পরীক্ষা গত ১৩ ডিসেম্বর নিয়োগ কমিটির সভাপতি নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাজিনা সারোয়ারের কার্যালয়ে অনুষ্টিত হয়। এ পরীক্ষায় নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের ২২ নং করিমপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য মেধা তালিকায় ১ম করিমপুর গ্রামের গিরীন্দ্র দাশের পুত্র দ্বিজেন দাশ,২য় চানপুর গ্রামের হিরা লাল রায়ের পুত্র জগন্নাথ রায় এবং ৩য় চানপুর গ্রামের ব্রজ গোপাল দাশের পুত্র বিশ্বজিত দাশকে দেখানো হয়েছে। কিন্তু চাকুরীর জন্য চুড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থী করিমপুর গ্রামের গিরীন্দ্র দাশের পুত্র দ্বিজেন দাশ মুলত ৫ম শ্রেনীও পাশ না করে নাদামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে প্যাডে প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে সনদ দাখিল করে চাকুরীতে নির্বাচিত হয়।

বিদ্যালয়ে খোজ নিয়ে জানাযায়, করিমপুর গ্রামের গিরীন্দ্র দাশের পুত্র দ্বিজেন দাশ নামের কোন ছাত্র এ বিদ্যালয়ে কখনো পড়াশোনাই করে নাই মর্মে প্রদান শিক্ষক প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করেছেন। এছাড়া মেধা তালিকায় ২য় স্থান অর্জনকারী প্রার্থী চানপুর গ্রামের হিরা লাল রায়ের পুত্র জগন্নাথ রায় আবেদন পত্রে দাখিলকৃত জন্ম সনদ ভোটার কার্ডে জন্ম তারিখ১১/৩/১৯৭৭ ইং রয়েছে। হিসাব অনুযায়ী ঐ প্রার্থীর বয়স হয় প্রায় ৪০ বছর।

আর মেধা তালিকায় ৩য় চানপুর গ্রামের ব্রজ গোপাল দাশের পুত্র বিশ্বজিত দাশের শিক্ষাগত সনদ এবং জন্ম সনদ ঠিক থাকার পরও তাকে ৩য় স্থানে রাখা হয়েছে। তাই নিয়োগ বিধি মোতাবেক ১ম ও ২য় স্থানের প্রার্থী বাদ পড়লে ৩য় স্থানে থাকা চানপুর গ্রামের ব্রজ গোপাল দাশের পুত্র বিশ্বজিত দাশ এ পদে চাকুরী পাবার কথা থাকলেও নিয়োগের ক্ষেত্রে টাকার বিনিময়ে চরম দুর্নীতি ও অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার যোগসাজশে এ কাজ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

তাই এ অনিয়েমের প্রেক্ষিতে ৩য় স্থানে থাকা চানপুর গ্রামের ব্রজ গোপাল দাশের পুত্র বিশ্বজিত দাশ গত বুধবার নিয়োগ কমিটির সভাপতি তৎকালীন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাজিনা সারোয়ারের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক এর নিকট লিখিত অভিযোগ প্রেরন করেন এবং সিলেট বিভাগীয় কমিশনার ও দুর্নীতি দমন কমিশন বরাবরে অনুলিপি প্রেরন করছেন। বিষয়টি নিয়ে নবীগঞ্জে বেশ চাঞ্চল্যের সৃস্টি হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..