× Banner
সর্বশেষ
ফের গ্রেফতার তনু হত্যায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা – আইনমন্ত্রী গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির – রাশেদ খান সাড়ে ৬ বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ হাজার ৭১২ জন বেনাপোল পৌরসভায় যুবদল নেতা ইমদাদুল হক ইমদাদের গণসংযোগ ও মতবিনিময় নাটোরের ঐতিহ্যকে সারা বিশ্বে তুলে ধরতে চাই – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আঞ্চলিক যুদ্ধের মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি সই সিরাজগঞ্জে ওভারপাসে উঠতে গিয়ে দুর্ঘটনা, বাসচালকসহ নিহত ২ যুদ্ধবিরতির ৩০০ দিনে গাজায় ৩০০ শিশু নিহত লাদাখ থেকে ফিরেই মিঠুনকে দেখতে হাসপাতলে দেব

স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপে মেসিকে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র, বেরিয়ে এল ভয়াবহ সব তথ্য

ACP
হালনাগাদ: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
বিশ্বকাপে মেসিকে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র, বেরিয়ে এল ভয়াবহ সব তথ্য
বিশ্বকাপে মেসিকে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র, বেরিয়ে এল ভয়াবহ সব তথ্য

বিশ্বকাপের সময় লিওনেল মেসিকে হত্যার এক ভয়াবহ পরিকল্পনার তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসীরা বন্দুক ও বোমা নিয়ে স্টেডিয়ামে ঢোকার ছক করেছিল।

যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপে অনেক খেলোয়াড়কে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে একজন ছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এক ব্যক্তিকে তার সঙ্গে লিফটে ঢোকার সময় গ্রেপ্তার করা হয়।

হুমকির বিস্তারিত তথ্য

ইন্টারন্যাশনাল পুলিশ কোঅপারেশন সেন্টার (আইপিসিসি) এবং এফবিআই-এর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের রেফারি ফ্রঁসোয়া লেতেজিয়ে তার ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপে ৬ হাজারেরও বেশি হুমকি পেয়েছেন। ফ্রান্সে থাকা তার পরিবারকেও পুলিশি নিরাপত্তা দিতে হয়েছে। স্পেনের সংবাদপত্র ইনফরমাসিওন ডট ইএস এই নিরাপত্তা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

জুলাইয়ের ৭ তারিখ আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের আগে একজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ লিখেছিল, ‘আমি আটলান্টা স্টেডিয়ামে ঢুকব এবং শরীরে বাঁধা চারটি বোমা দিয়ে মেসিকে উড়িয়ে দেব।’

মেসির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় হুমকি

মেসির বিরুদ্ধে সবচেয়ে স্পষ্ট হুমকিটি আসে যখন এক ব্যক্তি ডালাস বিমানবন্দরে ফোন করে জানায়, সে ও আরও দুইজন মিলে ‘বাড়িতে তৈরি বোমা এবং একটি এআর-১৫ রাইফেল’ নিয়ে স্টেডিয়ামের দিকে যাচ্ছে।

সে বলেছিল, তারা ‘দুই দলের পুলিশ ও খেলোয়াড়দের’ ওপর হামলা চালাতে চায়। তবে সে বিশেষভাবে লিওনেল মেসির নাম উল্লেখ করে।

আরেকটি ঘটনায়, একজন ব্যক্তি খেলা চলাকালীন পুলিশে ফোন করে জানায় যে সে স্টেডিয়ামের ময়লার ঝুড়িতে ‘তিনটি বোমা’ রেখে এসেছে। এরপর বোমা বিশেষজ্ঞ, প্রশিক্ষিত কুকুর এবং তাদের হ্যান্ডলাররা আটলান্টা স্টেডিয়াম তল্লাশি করে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুরো টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি হুমকি পেয়েছেন মেসি।

রোনালদোর সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা

রোনালদোও কম হয়রানির শিকার হননি। ১৪ জুন, ফিফার এক কর্মী জানান যে এক ‘সন্দেহভাজন ব্যক্তি’ হোটেলে রোনালদোর থাকার জায়গা সম্পর্কে তথ্য জানতে চাইছিল। দুই দিন পর হিউস্টন পুলিশ ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে এবং তাকে রোনালদোর হোটেলেই গ্রেপ্তার করে।

টরন্টোতেও একই ধরনের একটি ঘটনা ঘটে। এক সমর্থক রোনালদোর সঙ্গে লিফটে ঢোকার চেষ্টা করলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে বলেছিল, সে শুধু রোনালদোর সঙ্গে সেলফি তুলতে চেয়েছিল।

মিয়ামিতেও একজন রোনালদোর কাছে যাওয়ার চেষ্টা করে। এছাড়া পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে রোনালদোর জার্সি পরা একজন মাঠে লাফিয়ে পড়ে।

অন্যান্য খেলোয়াড়ও হুমকির শিকার

হুমকি পাওয়া আরেকজন তারকা ছিলেন কিলিয়ান এমবাপে। ফ্রান্স-প্যারাগুয়ে ম্যাচে প্যারাগুয়ের গোলরক্ষকের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়েছিল।

পুলিশ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিয়াল মাদ্রিদের এই খেলোয়াড়কে অনলাইনে ‘জাতিবিদ্বেষী’ কথা বলে অপমান করা হয়েছে। এছাড়া ৫ ও ৬ জুলাই প্যারাগুয়েতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমবাপের ছবিওয়ালা একটি পুতুল ‘পুড়িয়ে দেখানো হয়’।

সূত্র- মিরর


এ ক্যটাগরির আরো খবর..