× Banner
সর্বশেষ
সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’ বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রকল্পে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে – আফরোজা নতুন কুঁড়ি ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন সিলেট-রংপুর নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে – মহিলা পরিষদ কালীগঞ্জের পত্রিকা বিতরণকারী জাহাঙ্গীরের মৃত্যু

পি আই ভি

বিগত আওয়ামী সরকারের অধিকাংশ প্রকল্পে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থই প্রাধান্য পেয়েছে -বিদ্যুৎমন্ত্রী

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, বিগত সাড়ে ১৫ বছরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গৃহীত অধিকাংশ প্রকল্পে জনকল্যাণের চেয়ে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থই প্রাধান্য পেয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এর ফলে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতি গুরুতর ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

আজ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আয়োজিত জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০) বিষয়ক নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সংঘটিত বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেন। পাশাপাশি, আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে আরো দক্ষ, টেকসই ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের নানাবিধ উদ্যোগের কথা জানান মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমাতে সরকার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সৃষ্ট আর্থিক চাপ এবং দীর্ঘদিনের দায় দেনা কাটিয়ে উঠতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই। তবে এ লক্ষ্যে কোনোভাবেই উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ ক্রয় বা উৎপাদন করে তার অতিরিক্ত ব্যয় সাধারণ ভোক্তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে না। মন্ত্রী রুফটপ সোলার প্রাইভেট সেক্টরে দেওয়ার পক্ষে মত দেন। তিনি বলেন, কৃষি জমি নষ্ট করে কোনো প্রকল্প করা হবে না; পতিত জমি ব্যবহার করা হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ বিদ্যুৎ বেসরকারি খাতের মাধ্যমে উৎপাদিত হচ্ছে, তাও উচ্চমূল্যে। তিনি জানান, আর্থিক অব্যবস্থাপনা সৃষ্টি করে গেছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার; এজন্য বর্তমান সরকারকে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হচ্ছে।পূর্ববর্তী সময়ে সম্পাদিত বিভিন্ন চুক্তির কারণে সরকারকে তুলনামূলক বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে। বিগত সরকার ৫৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রেখে গেছে; সেই বকেয়ার পাশাপাশি একইসঙ্গে নতুন দায় পরিশোধ করতে হচ্ছে সরকারকে; এজন্য প্রতি মাসে ভরতুকি দিতে হচ্ছে। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বকেয়া বিল পরিশোধে বিলম্ব হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এসব বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই সরকার বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি হলে জ্বালানি আমদানি খরচ কমবে।

জ্বালানি নিরাপত্তা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকার তিন মাসের জ্বালানি মজুত সংরক্ষণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এজন্য সম্ভাব্য সকল অপশন নিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের শক্তি জনগণ; জনগণকে সাথে নিয়েই বিশাল ঋণের বোঝা থেকে উত্তোলনের চেষ্টা করে যাচ্ছে সরকার; নাগরিক সন্তুষ্টির দিকেও সরকারকে লক্ষ্য রাখতে হয়।

আলোচনা সভায় ‘জাতীয় জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ পেশ করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..