× Banner
সর্বশেষ
কৃষিভিত্তিক শিল্প ও অ্যাগ্রো বিজনেসে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের গৌরবময় ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরলেন পর্যটনমন্ত্রী বাংলাদেশকে উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য সরকারের: প্রযুক্তিমন্ত্রী আবহাওয়ার সতর্কবার্তাবঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ২৭ জুলাই থেকে শুরু ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন, ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা বান্দরবানে সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবির দুই দিন পর নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার সাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত আদালতে রাষ্ট্রপ্রতির বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শেষ হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’

বহিষ্কৃতরা কিভাবে অব্যাহতি দেয় প্রতিষ্ঠাতাকে -হিন্দু মহাজোট

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

একঘোয়েমি, স্বেচ্চাচারিতা, ব্যবসায়ী মনোভাব, ব্যক্তিস্বার্থ চিন্তা, নৈতিক স্খলন, এক কর্মীর বিরুদ্ধে অন্য একজনকে লাগিয়ে দেয়া, অর্থ নিয়ে পদায়ন করা ইত্যাদি কারণে বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব এডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামানিককে মহাসচিব পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে লিখিত বক্তব্য জানালেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব উত্তম কুমার দাস।

৭ ফেব্রুয়ারী’২০২০, শুক্রবার, সকাল ১১.০০ ঘটিকায় রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র (ডিআরইউ) সাগর-রুনি’ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানায়।

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের কেন্দ্রিয় কার্যালয় থেকে জানায়, সংগঠন বিরোধী কার্যক্রমে লিপ্ত থাকায় এবং বার বার সতর্ক করার পরেও অনৈতিক ও অ-সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে বিরত না হওয়ার অপরাধে ৬ ফেব্রুয়ারী চার সদস্যের সাংগঠনিক দ্বায়িত্ব কর্তব্য ও পদবী স্থগিত করেছিল জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব অ্যাডঃ গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক। উল্লেখিত অপরাধে আদিষ্ট চার সদস্য হলেন, উত্তম কুমার দাস, রিপন দে, সমিরন বড়াল ও এম কে রায়।

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট এর নির্বাহী ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডঃ দীনবন্ধু রায় এবং মহাসচিব অ্যাডঃ গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক স্বাক্ষরিত এ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তারা বলেন, যাদের আগেই বহিষ্কার করা হয়েছে তারা হিন্দু মহাজোটের প্রতিষ্ঠাতাকে বহিষ্কার করে কিভাবে এটা বোধগম্য নয়।

এডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামানিক গতকাল সন্ধ্যায় বলেন, যারা আলাদা আলাদা ভাবে সংগঠন থেকে বেরিয়ে গিয়ে এক হল তারা এখানে একসাথে থেকে কেন কাজ করতে পারলো না। নিজেদের সমস্যার কারনে বেরিয়ে গেল আর বাইরে গিয়ে সবাই এক হয়ে মহাজোটের বিরুদ্ধেই কাজ শুরু করলো। তবে হিন্দু মহাজোট এক মহাসমুদ্র এখানে খারাপ লোক, দুর্নীতির কোন জায়গা নেই। তাই খারাপ মনোভাব নিয়ে যারা আসবে তারা এভাবেই ঝরে যাবে। তবে বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট কে ধ্বংস করা সম্ভব নয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..