ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরে গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরে গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে ভাবগম্ভীর পরিবেশে আলোচনা সভা অনুষ্ঠানসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হয়েছে জাতীয় গণহত্যা দিবস।

২৫ মার্চ সকাল ১০-০০ ঘটিকায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরে এ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থি ছিলেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসি, এমফিল। পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লে কর্নেল জিল্লুর রহমান, পিএসসি এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্যে দেন পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল মোঃ রেজাউল করিম, পিএসসি। অন্যান্যের মধ্যে গণহত্যা দিবসের ওপর আলোচনা করেন উপপরিচালক (প্রমাসন ও অর্থ) মোঃ ওহিদুল ইসলাম এবং সহকারী পরিচালক (অপারেশন) মোঃ মানিকুজ্জামান।

পবিত্র ধর্মগ্রন্ত থেকে পাঠের মাধ্যমে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে আলোচকদের আলোচনায় ২৫ মার্চের ভয়াবহ কালরাতের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের নির্মম স্মৃতিকথা উচ্চারিত হয়। পাশাপাশি আলোচকগণ ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকার পলাশী ফায়ার স্টেশনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক নির্মম হত্যার শিকার ৯ জন শহিদ অগ্নিসেনাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন। আলোচকগণ এই দিবসটির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন তাঁর বক্তব্যের শুরুতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা, মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহিদ মুক্তিযোদ্ধাসহ শহিদ অগ্নিসেনা, ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে যারা নির্মম হত্যার শিকার হয়েছেন তাদেরসহ ১৫ আগস্ট নির্মম হত্যার শিকার জাতির পিতার পরিবারের শহিদ সকল সদস্যের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

তিনি বলেন, সকলকে স্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে হবে, ২৫ মার্চের গণহত্যা দিবসের নৃশংসতা মনে রাখতে হবে। স্বাধীনতার মূল চেতনা ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সকলকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে সততার সাথে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি বলেন, জাতির পিতা একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন, তাঁর সুযোগ্য কন্যা সেই দেশকে উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে যাচ্ছেন। সকলের সম্মিলিত চেষ্টার মাধ্যমে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আলোচনা শেষে জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে নির্মিত বিশেষ প্রমাণ্য চিত্রসহ ২৫ মার্চ কালরাতে পলাশী ব্যারাক ফায়ার স্টেশনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে নির্মম হত্যার শিকার ৯ জন অগ্নিসেনা ও ৭ ছাত্র-জনতার ওপর নির্মিত বিশেষ নাটক ‘রক্তাক্ত পলাশী’ প্রদর্শিত হয়।

বাদ জুম্মা শহিদ সকলের জন্য বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়। ছবি ও খবর-ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেল।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।