রবিবার (৫ জুন) বিকাল সাড়ে তিনটায় উপজেলার ডাংগী ইউনিয়নের আটাইল গ্রাম থেকে এ মূর্তি উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, রবিবার দুপুরে আটাইল গ্রামের জহুরুল হকের জমিতে পুকুর খননের কাজ চলছিলো। ভেকু মেশিন দিয়ে খননের এক পর্যায়ে গভির থেকে মাটির টানে মুর্তিটি উঠে আসে। পরে প্রশাসনকে খবর দিলে পুলিশ এসে মূর্তিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়রা ধারনা করছে পূর্বে এই এলাকায় প্রাচীন জমিদারদের বসবাস ছিলো। তাই এটি তাদেরই ব্যবহৃত মূর্তি হতে পারে।
এ খবর প্রচার হলে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন সেখানে পূজাঅর্চনা শুরু করে ও উদ্ধার হওয়া প্রায় ৪ মন ওজনের মূর্তিটি এক নজর দেখার জন্য সেখানে শত শত লোকের সমাগম ঘটে।
ভাঙ্গী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী আবুল কালাম গণমাধ্যমকে বলেন, এক সময় এলাকাটিতে হিন্দু জমিদারদের বসবাস ছিলো। তাই এখানে এই ধরণের মূর্তি পাওয়া সম্ভব।
নগরকান্দা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. সুমিনুর রহমান মুর্তি উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।
এসময় তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ধারনা করা হচ্ছে এটি অনেক প্রাচীন ও মুল্যবান পাথরের তৈরি মুর্তি। আমরা এই মূর্তিটি হস্তান্তরের জন্য প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। তারাই পরিক্ষা নিরিক্ষা করে বলতে পারবে এটি কিসের তৈরি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত এন এম আব্দুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, প্রথমে ওই এলাকা থেকে মূর্তি উদ্ধারের খবর পাই। পরে মুর্তিটি উদ্ধারের জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যান ও থানা পুলিশকে অবগত করলে তারা মুর্তিটি উদ্ধার করে থানা হেফাজতে রেখেছে। নিয়ম মাফিক মূল্যবান মূর্তিটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হবে।





