× Banner
সর্বশেষ
নড়াইলে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর যশোরে বিজিবির অভিযানে ৪৬ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের ২ পিচ স্বর্ণবারসহ আটক-১ ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় এমপি গাজী নজরুল ইসলামের শ্যামনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা রোগ শনাক্তে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা -স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী শৈলকুপায় ট্রাক চাপায় পথচারী নিহত হরিণাকুন্ডুর সোনাতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ঘাটতির পর বেনাপোল কাস্টমসের নতুন লক্ষ্য ১০,৫৮৮ কোটি স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য দূর করতে ‘ন্যাশনাল হেলথ কার্ড’ চালু করছে সরকার – আইসিটি মন্ত্রী মাদারীপুরে মানবপাচারচক্রের সক্রিয় সদস্য ১৫ মামলার আসামি জুলহাস গ্রেফতার

প্রিন্স মুসাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ১৮ অক্টোবর

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদক অসিত কুমার ঘোষ (বাবু):  আলোচিত ব্যবসায়ী প্রিন্স মুসা বিন শমসেরসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে রেঞ্জ রোভার জিপ আমদানীর মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেনি।

সোমবার পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম নুরুন্নাহার ইয়াসমিন দিন আগামী ১৮ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ ধার্য করেন। গত ৩১ জুলাই গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে শুল্ক গোয়েন্দার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) মোঃ জাকির হোসেন বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার অপর তিন আসামি হলেন, মোঃ ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী, বিআরটিএ ভোলা জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক প্রকৌশলী আইয়ুব আলী আনছারী ও মেসার্স অটো ডিফাইন নামে গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ ওয়াহিদুর রহমান। মামলায় বলা হয়, শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানিকৃত একটি রেঞ্জ রোভার জিপ দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন মুসা বিন শমসের।

বিআরটিএ ভোলা জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক প্রকৌশলী আইয়ুব আলী আনছারীর সহায়তায় ফারুক-উজ-জামান চৌধুরীর নামে ওই গাড়িটি ভুয়া রেজিস্ট্রেশন করা হয়। এতে ২ কোটি ১৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা শুল্ক ফাঁকি দেওয়া হয়। গত ২১ মার্চ ধানম-ির একটি বাড়ি থেকে গাড়িটি উদ্ধার করে শুল্ক গোয়েন্দা। এরপর মুসা বিন শমসের ও ফারুক-উজ-জামান চৌধুরীকে তলব করা হয়। কিন্তু মুসা অসুস্থ রয়েছেন দাবি করে সময় চান।

অন্যদিকে নিরুদ্দেশ হন ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী। মামলায় আরও বলা হয় জিজ্ঞাসাবাদে মুসা বিন শমসের জানিয়েছেন, ফারুক চৌধুরী তার আত্মীয়। গাড়িটি তিনি ভাড়ায় ব্যবহার করছেন। এটি অটো ডিফাইন নামে একটি গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি কিনেছেন। এর আগে অটো ডিফাইন কিনেছে লন্ডন প্রবাসী ফরিদ নাবির নামে এক বাংলাদেশির কাছ থেকে। তবে এর স্বপক্ষে কাগজপত্র দেখাতে পারেননি মুসা বিন শমসের।

রেঞ্জ রোভার গাড়ির শুনানিকালে মুসা তার বক্তব্যে বলেছেন, সুইস ব্যাংকে তার ১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৯৬ হাজার কোটি টাকা) আটকে পড়ে আছে। কিন্তু এই টাকার হিসাবের স্বপক্ষে বা এই টাকার উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ও নোটিশ দিলেও তিনি এ বিষয়ে গ্রহণযোগ্য তথ্য দিতে পারেননি। ফলে এই টাকার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে, যা গভীরভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..