× Banner
সর্বশেষ
সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিমার্জনের উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে এনজিওদের এগিয়ে আসার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১% রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে – প্রধানমন্ত্রী পাইকগাছায় সুন্দরবনের প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে অভিজ্ঞতা বিনিময় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত  কোটচাঁদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে স্কুলছাত্রীকে হত্যা, ৪ বছর পর যুবকের মৃত্যুদণ্ড দেশে হামের উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু

মৃত তিস্তার শুষ্ক বালুচরে এ যেন অন্য এক সবুজের হাতছানি

Ovi Pandey
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২০

রমেশ চন্দ্র সরকার,রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : মৃত তিস্তার শুষ্ক বালুচরে এ যেন অন্য এক সবুজের হাতছানি। কালের ইতিহাসে হারিয়ে গেছে তার যৌবন। বাংলা সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই ,যেখানে তিস্তাকে নিয়ে লেখা হয়নি। তিস্তাকে নিয়ে রচিত হয়েছে গান,গল্প, ছড়া, কবিতা,কাব্য,নাটক, চলচ্চিত্র প্রভৃতি। তাতে তিস্তার কি আসে যায় বরং আপন মহিমায়  তিস্তা নিজেকে উদ্ভাসিত করেছে।

এক সময়ের যৌবনা তিস্তা বৃদ্ধ পেরিয়ে আবার কৌশোরে পদার্পণ করেছে। তবে নদী হিসেবে নয়, ফসলের মাঠ হিসেবে। তিস্তার বুকে জেগে উঠা এক সময়ের ধুধু বালুচর এখন সবুজের হাতছানি। এখানে চাষ হচ্ছে ধান,গম,আলু , ভুট্টা,কুমড়া,তিল,তিসি,রসুন,পিয়াজ ,বাদাম ও শাকসবজি । দেখে যেন মনে হয় প্রকৃতি আপন মহিমায় নিজেকে সাজিয়েছে।

সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যস্ত কৃষাণ কৃষাণীদের পদভারে মুখরিত থাকে তিস্তার চরাঞ্চল গুলো। এ যেন এক বিশাল কর্মযজ্ঞ। তিস্তা পাড়ের বিভিন্ন শ্রেণি পেশায় মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের দুঃখের দিন শেষ। রাস্তা ও বিদ্যুৎ পেয়ে তাদের কষ্ট লাঘব হয়েছে।  কিন্তু বর্ষায় যখন তারা নীড় হারানোর পদধ্বনি শুনতে পায় তখন তাদের আবেগীমন ডুকরে কেঁদে  উঠে। শুষ্ক মৌসুমে আবার স্বপ্ন  দেখতে শুরু  করে।কিন্তু গবেষকদের মুখে শনা যায় ভিন্ন কথা, বৈশ্বিক জলবায়ু ও উজানে বাঁধ নির্মানের ফলে তিস্তা ক্রমে ক্রমে  মরুকরণের দিকেই এগোচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, তিস্তা পাড়ের দৃশ্যপট ক্রমশ পাল্টাচ্ছে। এ যেন সবুজের সমারোহ। এখানে যেন ক্ষেতের মেলা বসেছে। তিস্তা পাড়ের বাসিন্দা প্রভাষক মাওলানা মোঃ রাশেদুল ইসলাম জানান, এখানকার মানুষের দৈন্যদশা আর নেই। এখন তারা অনেকটা স্বাবলম্বী।

পড়ন্ত বিকালে যখন গাঢ় লাল সূর্য অস্ত যেতে শুরু করে, তিস্তার বুকে ফসলের সবুজ পাতা গুলো কুয়াসার আলীঙ্গনে শিউরে উঠে তখন কবির ভাষায় বলতে ইচ্ছে  করে-

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া
একটি ধানের শীষের উপর
একটি শিশির বিন্দু।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..