× Banner
সর্বশেষ
শিকলবিহীন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্যই শিকল ভেঙেছি আমরা – তথ্যমন্ত্রী নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই – প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছা পূরণ রাকিবের, তুললেন সেলফি অস্ট্রেলিয়ার সাথে বাণিজ্য, দক্ষতা উন্নয়ন ও গবেষণা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিজ্ঞান, ধর্ম ও সমাজের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন – স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ভিআইপি-সিআইপিসহ সবার জন্য বিমানবন্দরে সমান নিরাপত্তা তল্লাশি – বিমান মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে স্বপ্নপূরণ অনুশ্রীর, মিলল হারমোনিয়াম উপহার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন আগামী ১৬ আগস্ট – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বাবার কবরে শ্রদ্ধা জানালেন জুবাইদা রহমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামী ১০ আগস্ট

ঠাকুরগাঁওয়ের দূর্লভ ও প্রাচীন বৃক্ষটি সংরক্ষনে দাবি ওরাঁও সমাজের

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ২০ মার্চ, ২০১৬

ঠাকুরগাঁওয়ের দূর্লভ ও প্রাচীন কদম প্রজাতির বৃক্ষটি সরকারি ভাবে সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছে ওরাঁও সম্প্রদায়ের ক্ষুদ্র নৃ-তাত্তিক জনগোষ্ঠী। দেবতার আসনে বসিয়ে এই গাছটিকে আদিকাল ধরে পুজা করছে তারা।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে কদম প্রজাতির প্রকান্ড এই বৃক্ষটি অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এটি কারাম গাছ নামে পরিচিত। এই গাছ এবং কারাম পুজা  সৃষ্টিকর্তার নির্দশন স্বরুপ আদিকাল থেকে সংরক্ষন করে আসছে ওরাঁও সমাজ। এই বৃক্ষকে তারা রক্ষাকর্তা ও পালন কর্তা হিসেবে বিশ্বাস করে। তাই প্রতি বছর ফাল্গুন শেষে চৈত্র শুক্লা তিথিতে এই বৃক্ষকে ঘিরে কারাম পুজার আয়োজন করে ওরাঁওরা। এই গাছটি তাদের কাছে বৃক্ষ নয়। এটি তাদের অস্তিত্ব।

উদ্ভিদ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এই গাছ অতিমূল্যবান। এই গাছের বাঁকল এন্টেসেপটিক ও  কাপড়ের রং তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এছাড়া আমশায় রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। এর কাঠও মূল্যবান। স্থানীয় ও বিশিষ্টজনদের দাবি এ বিরল  গাছটি সরকারি ভাবে যথাযথ ভাবে সংরক্ষিত হলে প্রাচীন উপকারভোগী এই গাছটি রক্ষা করা সম্ভব হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..