× Banner
সর্বশেষ
বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল পদত্যাগের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন: অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নতুন বঙ্গভবন প্রধান কে? সক্রিয় মৌসুমি বায়ু: দেশজুড়ে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা রাজপথে ছড়ানো গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের: নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পালনে সরকার বদ্ধপরিকর দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন: ভরিতে কমলো ৩৩২৪ টাকা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ও অনশন ভঙ্গ: যন্তর-মন্তরে কাটল জট, জয়ে ফিরল সাধারণতন্ত্র জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

আঞ্চলিক প্রতিনিধি

ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকোই শত শত মানুষের শেষ ভরসা

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫
ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের রাহুতপাড়া কাঠিরা দুই গ্রাম সংলগ্ন খাল। খালের উপর দিয়ে বয়ে গেছে কাঠের সাঁকো। এই কাঠের সাঁকো ঘিড়েই প্রতিনিয়তই ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে সাত গ্রামের মানুষের শত শত মানুষের।

জানা গেছে, রাহুৎপাড়া-কাঠিরা সংলগ্ন এই ব্রিজ দিয়ে প্রতিদিন একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রশান্ত রায়ের বাড়ি রুগী ও স্বজন, একটি মিশন স্কুলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক, এ ছাড়া একটি শ্রীশ্রী হরি ঠাকুরের মন্দিরের ভক্তবৃন্দ সহ ৫ থেকে ৭ টি গ্রামের কয়েকশত মানুষ চলাচল করেন। এ ৫/৭টি গ্রামের মানুষের সংযোগ স্থল বা সেতুবন্ধন একমাত্র কাঠ বাঁশের সেতটিু।

এলাকাবাসি জানান, ব্রিজটির পূর্ব ও পশ্চিম দিকে প্রায় ৫ কিলোমিটারের মধ্যে কোন ব্রিজ নেই। গ্রামের যুব সমাজ প্রতিবছর এই ব্রিজটি সংস্কারের উদ্দ্যোগ নিয়ে মেরামত করেন। সম্প্রতি পূজায় লোকজন সুন্দর ভাবে চলাচল করার জন্য গ্রামের যুব সমাজ সংস্কার করেন। সাঁকোটির অনেক স্থানের কাঠের পাটাতন দেয়া হলেও লোকজন যাতায়াতে সাকোটি হেলে হয়ে পড়ে। এছাড়াও কাঠের পাটাতন ঢিলে হয়ে পড়েছে, কোথাও আবার খুলে গেছে। ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ হালকা যান চলাচলে না করার জন্য সাঁকোর দুই পাশে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। তবে বিকল্প পথ না থাকায় বাধ্য হয়ে অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পারাপার হচ্ছেন।

ওই গ্রামের বাসিন্দা ডাক্তার প্রশান্ত রায় বলেন, ‘আমাদের এলাকাবাসীর দাবি আমাদের একটি ব্রিজ হলে নির্বিঘেœ আমরা যাতায়াত করতে পারতাম। মহিলা, বৃদ্ধ ও শিশুরা চলাচল করতে পারে না’।

একই গ্রামের লিমন সরদার বলেন, ‘রাতে টর্চ লাইট নিয়ে পা টিপে টিপে চলতে হয়। এত বছর ধরে এই অবস্থায় আছি। কৃষিপণ্যের বাজারজাত, শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছি’।

আগৈলঝাড়া এলজিডি নির্বাহী প্রকৌশলী রবীন্দ্র নাথ চক্রবর্তী বলেন, ‘ঘটনাস্থলে আমার যাওয়া নেই, ওই খানে যদি ব্রীজের একান্তই প্রয়োজন তাহলে আমাদের নিকট লিখিত আবেদন দেয়া হলে আমরা পর্যালোচনা করে ব্রিজের নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে’।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..