× Banner
সর্বশেষ
শতবর্ষের চলাচলের পথ বন্ধ, অবরুদ্ধ সংখ্যালঘু তিন পরিবার ট্রাম্পের হেলিকপ্টারের কাছাকাছি যাত্রীবাহী বিমান, তদন্ত শুরু রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উদযাপিত: প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার আহ্বান স্বামী ভক্তিপ্রসাদ মধুসূদন গোস্বামী মহারাজের আবির্ভাব তিথি আজ জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষ্যে স্মারক সংবর্ধনা হিরোশিমা দিবস: ‘ওপেনহাইমার’ সিনেমার নির্মাণের নেপথ্যের বিস্ময়কর গল্প জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্মারক সংবর্ধনা আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২০ শ্রাবণ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে শেখ হাসিনার দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলন নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কড়া প্রতিক্রিয়া

চুরি হওয়া রিজার্ভের বাকি ৬৬ মিলিয়ন উদ্ধার করা সম্ভব

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৬

ডেস্ক রিপোর্টঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া রিজার্ভের বাকি ৬৬ মিলিয়ন (৬ কোটি ৬ লক্ষ) ডলারের পুরোটা ফিলিপিন্স থেকে ফেরত পাওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ফিলিপিন্স সফর থেকে ফেরার পর বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের আইনমন্ত্রী বলেন, “ফিলিপিন্সের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাঙ্কিং কর্পোরেশনক (আরসিবিসি)-কে অবশ্যই পুরো টাকা ফেরত দিতে হবে। মোট রিজার্ভের ৬৬ মিলিয়ন ডলার এখনও উদ্ধারের বাকি আছে। সেই টাকা দেবে রিজাল ব্যাংক।”

সম্প্রতি রিজাল ব্যাংক ওই টাকা দিতে অস্বীকার করেছিল। সে প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী বলেন, “ফিলিপিন্সের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাঙ্কিং কর্পোরেশনের অর্থ ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানানো অনৈতিক। কারণ তারা এ ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে। এখন অর্থ ফেরত দিতে না চাওয়া অগ্রহণযোগ্য। তাদের অর্থ ফেরত দিতেই হবে।”

চুরি যাওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থের মধ্যে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার স্থানান্তরিত হয়েছিল ফিলিপিন্সের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাঙ্কে (আরসিবিসি)। আর শ্রীলঙ্কার প্যান এশিয়ান ব্যাঙ্কে যায় ২ কোটি ডলার।
সুইফট কোডের মাধ্যমে অভিনব এই চুরির পরপরই শ্রীলঙ্কার অর্থ ফেরত পাওয়া গেলেও, ফিলিপিন্সে আসা সব অর্থ উদ্ধার করা যায়নি। আট কোটি ১০ লাখ ডলারের অধিকাংশই রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকের মাধ্যমে দেশটির বিভিন্ন স্থানের জুয়ার টেবিলে চলে যায়। এ ভাবেই ওই টাকা আইনগতভাবে বৈধ টাকায় (সাদা টাকা) পরিণত করেছিল চোররা।
পরবর্তীকালে ফিলিপিন্সের সিনেট কমিটির শুনানিতে অর্থ পাচারে সম্পৃক্ত ক্যাসিনো মালিক কিম অং দেড় কোটি ডলার ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তিন ধাপে তিনি ওই টাকা দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের কাছে জমা দেন। পরে এই অর্থ ফেরত পেতে ফিলিপিন্সের বিচার বিভাগ বাংলাদেশ ব্যাঙ্ককে একটি আইনি নথি ও প্রতিবেদন লিপিবদ্ধ করতে পরামর্শ দিয়েছিল।
এর আগে চলতি বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর ফিলিপিন্সের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক ‘বাংকো সেন্ট্রাল এনজি ফিলিপিনাসকে’ (বিএসপি) বাংলাদেশের রিজার্ভের চুরি হওয়া টাকার ১ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার ডলার ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন দেশটির একটি আঞ্চলিক আদালত।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..