× Banner
সর্বশেষ
মহেশপুরে খাল থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার যশোর- নড়াইল মহাসড়কে বিজিবি অভিযানে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা মূল্যের স্বর্ণবারসহ আটক-১ সাতক্ষীরায় আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‎বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গুরুতর আহত ৩ সন্তানের জনক লিটন, চিকিৎসায় আকুল মানবিক আবেদন সুমি আক্তার মিম হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচার দাবিতে শিক্ষার্থী-স্বজনদের বিক্ষোভ ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে এমইপি গ্রুপ, কর্মসংস্থান হবে ২ হাজার মানুষের আমিরাত বাংলাদেশিদের সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা দেশে হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের ‘পুরস্কার ও তিরস্কার’ নীতি অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

গ্রহাণু  অ্যাপোফিজ এর ধাক্কায় ২০২৯ সালেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে পৃথিবী

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০
ধ্বংস হয়ে যেতে পারে পৃথিবী

ডেভিড জে টলেন ও তার সঙ্গীরা সুবারু টেলিস্কোপে ২০০৪ সালে গ্রহাণু (asteroid)  অ্যাপোফিজ ৯৯৯৪২ এর আবিস্কার করেন। তখনই ভবিষ্যৎ বানী করা হয় গ্রহাণু (asteroid)  অ্যাপোফিজ ৯৯৯৪২ এর সঙ্গে ২০২৯ সালেই পৃথিবীর ধাক্কা লাগবে।

কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে ২০২৯ সালে পৃথিবীর কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেলেও ২০৬৮ সালে সংঘর্ষ ঘটাতে পারে এই গ্রহানু। আর সেই সংঘর্ষ হলে, ধ্বংস হয়ে যেতে পারে গোটা পৃথিবীর সভ্যতা।

অ্যাপোফিজ নামটি এসেছে প্রাচীন মিশরীয় উপকথা থেকে। উপকথা অনুসারে মিশরের এই দেবতাই মহাজাগতিক বিশৃঙ্খলার জন্ম দিয়েছিলেন। মিশরের অন্য আরেক দেবতা রা ( সূর্যের দেবতা) এর ভাই তিনি। আকারে যেমন বিশাল তেমনই ভয়ংকর নাগের মত তার গঠনও।

জানা যাচ্ছে সূর্যের আলোর দ্বারা আকর্ষিত হয়ে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে সে । জ্যোতির্বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয়ে থাকে ইয়ারকোভস্কি অ্যাক্লেরেশন। পৃথিবীর যত কাছে আসবে ততই গতি বাড়তে শুরু করবে তার। এবং যদি ২০৬৮ সালে ধাক্কা লাগে তাহলে মানব সভ্যতার নিশ্চিত ধ্বংসের কারন হবে সে।

নাসার হিসাবে এই গ্রহানু নিয়ার আর্থ অবজেক্ট হলেও এখনো পৃথিবীর থেকে অনেকটাই। তবে নাসা এক প্রকার নিশ্চিতই যে ২০২৯ সালে পৃথিবীর সাথে এর ধাক্কা লাগবে না। পাশাপাশি, ২০৬৮ সালে সংঘর্ষ ও পৃথিবীর ধ্বংসের কথাও বেশ জোর দিয়ে বলছে নাসা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..