কুড়ি বছর পরে রবিবার ফের আফগান দখল করে মসনদে ফিরল তালিবান। আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। আফগান নাগরিকদের পাশে দাঁড়ালো নয়াদিল্লি।
এর আগেই তালিবানরা হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, ভারত সৈন্যবল ব্যবহার করলে পরিস্থিতি ভালো হবে না। সেই সূত্র ধরেই এবার নতুন পদক্ষেপ নিল ভারত। ভারত হিতৈষী আফগান নাগরিকদের আশ্রয় দানের সিদ্ধান্ত নিল তারা। এর মধ্যে থাকবেন সাংবাদিক, লেখক, সমাজকর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরাও।
কাবুলে নতুন করে কোন যুদ্ধ চায় না তারা। বরং চায় সরকার গড়ে তুলতে। এরপরেই রবিবার নিজের পদ থেকে ইস্তফা দেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরফ ঘানি।
নয়াদিল্লি সূত্রের খবর, বিপদের কারণে ভারতে বসবাস করার জন্য দীর্ঘমেয়াদী ভিসা পাবেন এই নাগরিকরা। তবে এখনও এ বিষয়ে কোনও পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়নি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে শুরু থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে আমেরিকাও। কার্যত আমেরিকার সৈন্যবল সরে যাওয়ার পর থেকেই আফগানিস্তানে সক্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করে তালিবানরা। এখন তারা দখল করেছে কাবুলিওয়ালার দেশ। ভারতের সঙ্গে তাই আফগান নাগরিকদের আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা কানাডাসহ অন্যান্য রাষ্ট্রগুলিও। সাহায্যকারী আফগানদের ইতিমধ্যেই ভিসা দেওয়া শুরু করেছে বাইডেন প্রশাসন। এর মধ্যে রয়েছেন লেখক, সমাজসেবী ও মানবাধিকার কর্মীরা।
অন্যদিকে মানবাধিকার কর্মী, সমাজসেবী, মহিলা নেত্রীসহ প্রায় কুড়ি হাজার মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে কানাডাও। উল্লেখ্য, এই মহিলা নেত্রীদের উপর যথেষ্ট চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠেছিল তালিবানদের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই আফগানিস্তানে কর্মরত সাংবাদিকদেরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে নয়াদিল্লি। যদিও ভারত এখনও জানায়নি কতজনকে এদেশে থাকার ভিসা দিচ্ছে তারা। তবে দ্রুত এ বিষয়ে পরিকল্পনা ঠিক করা হচ্ছে বলেই খবর মিলেছে।