সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে বিধিনিষেধের কারণে ঢাকা থেকে সৌদিগামী ও সৌদি আরব হয়ে পরিচালিত মোট ১১৪টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে ১৭ হাজার ৭০১ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন। বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট ৫০টি এবং ট্রানজিট ফ্লাইট ৬৪টি।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বেবিচকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া সরাসরি ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৮টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ১২টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইন্ডিগোর ফ্লাইট। এ সংস্থার ২২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, সালাম এয়ারের ৭টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৬টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৫টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
১৭ হাজারের বেশি যাত্রী ভোগান্তিতে
ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সৌদি আরবগামী যাত্রীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যাঁদের ভ্রমণের তারিখ নির্ধারিত ছিল, তাঁদের নতুন সময়সূচি, টিকিট পরিবর্তন এবং বিকল্প ফ্লাইট নিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, সরাসরি ও ট্রানজিট—দুই ধরনের ফ্লাইট বাতিলের কারণে মোট ১৭ হাজার ৭০১ জন যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বেবিচক
ফ্লাইট চলাচলের পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ফ্লাইটের সময়সূচি পুনর্নির্ধারণের কাজ চলছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্তেও পরিবর্তন আসতে পারে। তাই যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।





