ললিপপ খাওয়ায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে বেত্রাঘাত, হাসপাতালে ভর্তি

ললিপপ খাওয়ায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে বেত্রাঘাত, হাসপাতালে ভর্তি
ললিপপ খাওয়ায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে বেত্রাঘাত, হাসপাতালে ভর্তি
মাদ্রাসাতে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে শ্রাবন্তী খাতুন নামে সপ্তম শ্রেনীর এক শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। আহত ছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায়
শিক্ষার্থীর মা শারমিন বেগম অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপারসহ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানাতে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। গতবুধবার দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ দামোদরপুর কেরামতিয়া দাখিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
লিখিত অভিযোগ ও শিক্ষাথীর মাতা শারমিন বেগম জানান, টিফিনের সময়ে মাদ্রাসার কমনরুমে বসে ললিপপ খাবার অপরাধে আমার মেয়ে শ্রাবন্তী (১৪)কে দু’দফে মারপিট করেছেন শিক্ষকরা। প্রথম দিনে দুপুরে ঘটনার সময়ে মাদ্রাসার কমনরুমে শিক্ষিক আলেয়া খাতুন তাকে মারপিট করে।
পরদিন বুধবার সকালে পূনরায় তার মেয়েকে মাদ্রাসার অফিস রুমে ডেকে সুপার দেলোয়ার হোসেন ও শিক্ষকা আলেয়া খাতুন বেত দিয়ে তার মেয়েকে বেধড়ক মারপিট করেন। মেয়েটি বাড়ীতে এসে ঘটনাটি তার পরিবারকে জানায়। মেয়েটির শরিরের বিভিন্ন স্থানে বেতের আঘাতের চিহ্ন ফুটে উঠেছে। আহত শিক্ষার্থীকে কালীগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত শিক্ষার্থী শ্রাবন্তীর মা আরো জানায়, মেয়েকে মারধরের ঘটনার পর পরই বিষয়টি জানতে তার চাচা শ্বশুর মকবুল হোসেনকে ওই মাদ্রাসাতে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তার সাথেই খারাপ আচরন করেন শিক্ষকরা। তিনি এ ঘটনার সুষ্ট বিচার দাবী করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ওই মাদ্রাসার সুপার দেলোয়ার হোসেন মুঠোফোনে শিক্ষার্থীকে মারপিট ঘটনায় সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তার বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের ললিপপ খাওয়া নিষেধ। তিনি বলেন, নিষেধ সত্বেও ওই শিক্ষার্থী মাদ্রাসাতে বসেই ললিপন খাবার সময়ে অন্য ছাত্রদের দেখিয়ে বাজে অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করছিল। এ অপরাধের শাষন করতেই তাকে কিছুটা মারপিট করেছেন। এটা মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ রক্ষার জন্যই করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুলফিকার আলী জানান, মাদ্রাসা শিক্ষার্থী মারপিট ঘটনার একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান তিনি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
সংবাদ প্রতিনিধি

আরিফ মোল্ল্যা ঝিনাইদহ ঝিনাইদহ

এই সংবাদটি The News-এর সংবাদ প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।