ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মিথ্যা মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে গাজীর বাজার ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট শাখার সাবেক ইনচার্জ মাসুম বিল্লাহ। তার বিরুদ্ধে গ্রাহকদের প্রায় ১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন তিনি।
তাঁর দাবি, ইসলামী ব্যাংকের জোনাল অফিসের অডিটে মোট ৩৬ লাখ ৮১ হাজার টাকার অনিয়মের বিষয় উঠে এসেছে। এর মধ্যে ৩১ লাখ ৭০ হাজার ২০০ টাকার জন্য এজেন্ট মালিক আমিরুল ইসলাম এবং ৫ লাখ ১০ হাজার ৮০০ টাকার বিষয়ে তাঁকে দায়ী করা হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যার পর শহরের মেইন বাসস্ট্যান্ড থ্রি স্টার হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মাসুম বিল্লাহ। উল্লেখ্য, এর আগে একই দিন সকালে ইসলামী ব্যাংকের কালীগঞ্জ শাখার সামনে গাজীর বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার কয়েকজন গ্রাহক তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় ১ কোটি টাকা আত্মসাতের এক মিথ্যা অভিযোগ এনে মানববন্ধন করেন।
সংবাদ সন্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মাসুম বিল্লাহ বলেন, মানববন্ধনে তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অসত্য। তিনি কখনো ১ কোটি টাকা আত্মসাতের কথা স্বীকার করেননি বা এ ধরনের কোনো অর্থ পরিশোধের প্রতিশ্রুতিও দেননি।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে জড়িয়ে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ার পর গত ৭ জুলাই ইসলামী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট জোনাল অফিসের একটি অডিট দল গাজীর বাজার এজেন্ট ব্যাংকিং শাখায় অডিট করেন। ওই অডিটে মোট ৩৬ লাখ ৮১ হাজার টাকার অনিয়মের বিষয় উঠে আসে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে মাসুম বিল্লাহর জানান,, ব্যাংকের অডিট প্রতিবেদনে ৩১ লাখ ৭০ হাজার ২শ টাকার জন্য এজেন্ট মালিক আমিরুল ইসলামকে এবং বাকি ৫ লাখ ১০ হাজার ৮০০ টাকার জন্য তাঁকে দায়ী করা হয়েছে।
তিনি বলেন, তাঁর ওপর দায় হিসেবে উল্লেখ করা ৫ লাখ ১০ হাজার ৮০০ টাকা তিনি সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের কাছে পরিশোধও করেছেন। এর পক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও আছে। তিনি তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও অতিরঞ্জিত তথ্য প্রচার করে সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানান। এ সময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন পরিবারের সদস্য তার চাচা নুরুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান মনা ও ইকবাল হোসেন প্রমুখ।





