× Banner
সর্বশেষ
উত্তর ইরাকের খোর মোর গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার দাবি আজ ১১ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ (১১ শ্রাবণ)  ২৮ জুলাই মঙ্গলবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’ বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রকল্পে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে – আফরোজা

চমেক হাসপাতালের আয়া-ওয়ার্ডবয়রা বেপরোয়া, তাদের এই খুঁটির জোর কোথায়?

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৮

রাজিব শর্মা, চট্টগ্রামঃ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যিনি একবার সেবা নিয়েছেন, তিনি ভালো জানবেন এখানকার আয়া-ওয়ার্ড বয়দের দুর্ব্যবহার কেমন। বিশেষ করে অবৈতনিক কর্মচারীদের হাতে কতটুকু অসহায় রোগী ও স্বজনেরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকবার এসব কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেও কোনো লাগাম ধরতে পারেনি। তাদের দৌরাত্ম্য কোনভাবেই কমানো যাচ্ছে না। বরং দিন দিন বাড়ছে রোগীদের উপর তাদের অত্যাচার।

হাসপাতালে এমন কোনো রোগী নেই, এসব কর্মচারীদের হাতে লাঞ্ছিত হননি। টাকা ছাড়া এরা কিছুই বুঝেনা। টাকা দিলেও অনেকসময় কাজ করে না। বরং রোগীদের তারা নানা ধরণের হয়রানি করে।

এছাড়াও দালালদের সাহায্য করা, টাকার বিনিময়ে বেড দেয়া, ওষুধ চুরিসহ ভয়ংকর সব অপকর্মের হোতা হচ্ছেন এসব কর্মচারীরা।

হাসপাতালে সূত্রে জানা যায়, জনবল সংকটের অভাবে বাধ্য হয়ে এদের নিয়োগ দেয় কর্তৃপক্ষ। তাদের কোনো বেতন দেয়া হয় না। রোগীদের ঘুষের টাকায় তাদের পেট চলে।

তবে এদের মূল খুঁটি হচ্ছে হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি প্রভাবশালী চক্র। যার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় এরা।

প্রভাবশালী চক্রটির বিরুদ্ধে এসব কর্মচারী নিয়োগে বাণিজ্যের অভিযোগ আছে। প্রতিজন কর্মচারী নিয়োগের বিপরীতে চক্রটি হাতিয়ে নেয় বিপুল পরিমাণ টাকা। এসব চক্রের মূল হোতা হাসপাতালে কয়েকজন কর্মকর্তা। এরমধ্যে একজন ওয়ার্ড মাস্টারও রয়েছেন। এছাড়াও তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কয়েকজন কর্মচারী এ চক্রটি পরিচালনা করে।

সুত্র জানা যায়, নির্দিষ্ট টাকা দিয়ে এসব কর্মচারী কাজে যোগ দেয়। এরপর প্রতি মাসে চক্রটির হাতে তুলে দিতে হয় নির্দিষ্ট চাঁদা। না হয় অজুহাত দেখিয়ে তাকে চাকরি থেকে বাদ দেয়া হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ওয়ার্ড বয় জানান, গাইনী ওয়ার্ডে রোগী বেশী। ওখানে টাকা বেশি ইনকাম হয়। কিন্তু ওই ওয়ার্ড যেতে হলে একটি চক্রকে দিতে হবে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা। এছাড়াও প্রতিমাসের চাঁদা তো আছেই।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, যেহেতু তাদের বেতন দেয়া হয় না। তাই আমরা প্রতি রোগীর কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা আদায়ের নিয়ম করেছি। কিন্তু এ ধরণের দুর্নীতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ অবগত নন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..