× Banner
সর্বশেষ
পেটে ঢুকিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা,আটক গাজীপুরের তরুণী টেপ বল ক্রিকেটকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে – যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাত মন্ত্রণালয়ের তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বগুড়ায় আসছেন শনিবার চট্টগ্রাম আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি দুর্ঘটনায় পেহেলির অকাল মৃত্যুতে মা-বাবার ভবিষ্যৎ স্বপ্নের সমাধি জুলাই আন্দোলনের ত্যাগকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে – তথ্যমন্ত্রী পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে অপপ্রচার, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি শিগগিরই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ – পানি সম্পদ মন্ত্রী সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি বেঁচে আছেন, না কি মারা গেছেন- রাশেদ খাঁন

নাগরপুরে অভাবের তাড়নায় ১০ দিনের শিশু পুত্রকে বিক্রি!

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৬

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য তার “হে মহাজীবন” কবিতার শেষ দুটি লাইনে লিখেছেন, “ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়ঃ পূর্ণিমার-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি। সেই ক্ষুধার জ্বালা সইতে না পেরে, সংসারের ছয়টি পেটের জন্য ঝলসানো রুটি জোগার করতে ১০ দিনের শিশু পুত্রকে বিক্রি করে দিলেন এক হত-দরিদ্র বাবা-মা।

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ঘিওর কোল গ্রামে ঘটেছে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি।

জানা যায়, নাগরপুর উপজেলার উপকণ্ঠ ঘিওরকোল গ্রামের হতদরিদ্র মো. মাজেদ আলীর পালিত পুত্র মো. লুৎফর মিয়া (৩৫)। সহায় সম্বল বলতে মাথা গুজার জন্য মাত্র ৩ শতাংশ জমি রয়েছে তার। তিনি একই উপজেলার দক্ষিণ দুয়াজানী গ্রামের করিম মিয়ার মেয়ে ফরিদা বেগমকে (২৫) বিয়ে করে। তারা সাংসারিক জীবনে ৩টি পুত্র ও ১টি কন্যা সন্তানের জনক জননী। তাদের বড় সংসারে অভাব ছিল নিত্য সঙ্গী। প্রিয় সন্তানদের বুকে আঁকড়ে ধরে নতুন করে বাচার চেষ্টা করেন। দু-বেলা দু-মুঠো ভাত সন্তানদের মুখে তুলে দিতে উপায়ন্তর না পেয়ে বাবা মা কর্মের সন্ধানে গাজীপুর চলে যান। সেখানে নিজে রিকশা আর স্ত্রী ফরিদা বেগম গার্মেন্টে কাজ করে জীবন সংগ্রামে নেমে পড়ে। কিন্তু বিধি বাম। ৬ সদস্যের সংসার চালাতে গিয়ে তার হাঁপিয়ে উঠে। অভাব অনটন ডানা মেলে আরো প্রকট হয়ে ওঠে। চোখের সামনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। অনাহার অর্ধাহারে চলতে থাকে তাদের জীবন। এভাবে আর কতদিন। ছোট ছোট ছেলে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে তাদের মুখে অন্ন তুলে দিতে অবশেষে ছোট শিশু পুত্রকে বেঁচে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন তারা। যেমন কথা তেমন কাজ।

সোমবার বিকেলে দেলদুয়ার উপজেলার তাতশ্রী গ্রামের নিঃসন্তান মো. রতন মিয়ার কাছে নাড়ি ছেঁড়া ধন দশ দিনের শিশু পুত্রকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। রতন মিয়া ১৫ হাজার টাকা নগদ লুৎফরকে দিয়ে আর ৫ হাজার টাকা চুক্তিপত্রের সময় পরিশোধ করার অঙ্গিকার করে শিশু পুত্রকে তার বাড়িতে নিয়ে যান।

এ ব্যাপারে রতন মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বিবাহিত জীবনে নিঃসন্তান তিনি। সন্তানের অভাব পূরণের জন্য ওই শিশু পুত্রকে কেনা হয়েছে। তবে তার লালন পালনে কোন প্রকার অযত্ম অবহেলা হবেনা বলেও তিনি জানান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..